পেটিএম প্রতারণার মূল পাণ্ডা সহ ৫ জনকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ৷  কেওয়াইসি আপডেট করতে গিয়ে গায়েব ৭ লাখ টাকা৷ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে অভিযান চালায় পুলিশ৷ ঝাড়খন্ডের দেওঘর ও জামাতাড়ায় অভিযান চালায় কলকাতা পুলিশ। এরপর পুলিশের জালে ধরা পড়ে ওই পেটিএম প্রতারকের দল। 

আরও পড়ুন, করোনার উপসর্গ না থাকলেও সহযাত্রীদের ভর্তির নির্দেশ, কড়া পদক্ষেপ কেন্দ্রের


পুলিশি সূত্রে খবর, গত ১৫ জানুয়ারি সমীরকুমার সিনহা নামে এক ব্যক্তি শেক্সপীয়র সরণি থানায় প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন৷ তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন,তার কাছে একটি ফোন আসে৷ সেখানে বলা হয়, পেটিএম-এ তাঁর কেওয়াইসি আপডেট করতে হবে৷ তারপরই তার মোবাইল ফোনে একটি এসএমএস  লিঙ্ক আসে৷ বলা হয়, সেই লিঙ্ক ক্লিক করে কেওয়াইসি আপডেট করতে বলা হয় সমীরবাবুকে ৷  অভিযোগ, সেই লিঙ্কে ক্লিক করার সঙ্গে সঙ্গেই সমীরের অ্যাকাউন্ট থেকে ৭ লাখ টাকা মুহূর্তেই উধাও হয়ে যায়।শনিবার গভীর রাত পর্যন্ত ঝাড়খন্ডের দেওঘর ও জামাতাড়ায় অভিযান চালায় কলকাতা পুলিশ। এরপর পুলিশের জালে ধরা পড়ে পেটিএম প্রতারকরা। 

আরও পড়ুন, করোনা মোকাবিলায় পদক্ষেপ, বিশেষ আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু মেডিক্যাল কলেজে

উল্লেখ্য় নতুন বছরে এর আগেও পেটিএম প্রতারণার ঘটনা ঘটে শহর কলকাতায়। পেটিএম থেকে প্রতারণার শিকার হয়েছিলেন শোভাবাজারের ব্যবসায়ী। পেটিএম থেকে নিজের মোবাইলে ৫০ টাকার রিচার্জ করেছিলেন শোভাবাজার বটতলা থানার দর্জি পাড়ার বাসিন্দা বিদ্য়ুৎ কুমার মাইতি। এরপরই তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে গায়েব হয়ে গিয়েছিল ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। ওই ব্য়ক্তিকে অ্যাপ ডাউনলোড করতে বলা হয়েছিল এবং  সেখানেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য আপডেট করতে বলা হয়।তারপরই ওই ব্যবসায়ীর দুটি রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থেকে মোট আট দফায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা গায়েব হয়ে যায়। অপরদিকে বছরের শুরুতেই, পেটিএম এ ১৬৮,০০০ টাকার প্রতারণার শিকার হন আরও ব্যবসায়ী পরিবার। তাই ঘন ঘন পেটিএম প্রতারণার ঘটনায় রীতিমত সতর্ক কলকাতা পুলিশ।