রাজ্য়ের ৫৪ জন মৃতের মধ্য়ে কলকাতারই রয়েছে ১৯ জন। অন্যান্য় জেলার তুলনায় খারাপ  অবস্থা মহানগরের। প্রায় প্রতিদিনই করোনা সংক্রমণ ও মৃতের তালিকায় ওপরের সারিতে থাকছে শহর। যা উদ্বেগ বাড়িয়েছে কলকাতা পুরসভার। এখনও পর্যন্ত কলকাতায় করোনা নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯৯৯ জনের। অন্তত তেমনটাই বলছে রাজ্য়ের স্বাস্থ্য় বুলেটিন।

তবে আশা দেখাচ্ছে কলকাতা। কেবল মহানগরে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন, ৫৮০ জন। সব মিলিয়ে সুস্থ  হয়ে ওঠার সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ২২,১৭০ জন। কেবল কলকাতা শহরেই গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬১৯ জন৷ সংখ্য়া বলছে মঙ্গলবার ৭১১ জন করেনায় আক্রান্ত হয়েছেন শহরে৷ সব মিলিয়ে মহানগরে আক্রান্তের সংখ্য়া দাঁড়াল ২৯,৮০৪ জন৷  

এদিকে একদিনে করোনা নিয়ে রাজ্য়ে মারা গেলেন ৫৪ জন। মঙ্গলবার যেই সংখ্য়াটা ছিল ৪৯ জন। ফলে গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ফরে বাাড়ল করোনা নিয়ে মৃতের সংখ্যা। এখনও পর্যন্ত রাজ্য়ে সংক্রমণ নিয়ে মৃতের সংখ্য়া দাঁড়াল ২২০৩ জনের। রাজ্য় স্বাস্থ্য় দফতরের বুলেটিন বলছে, একদিনে রাজ্য়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন  ২৯৩৬ জন। যা আগের দিনের থেকে বেশি।

পরিসংখ্য়ান বলছে, পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১,০৪,৩২৬ জন। এখনও  করোনা অ্যাক্টিভের  সংখ্যা ২৬,০০৩ জন৷ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ২,৯৩৬ জন৷ মঙ্গলবার এই সংখ্য়া ছিল ৩,০৬৭ জনে৷ খুশির খবর, রাজ্য়ে সুস্থ হয়ে ওঠার হার ৭০ শতাংশের নীচে নামেনি। এখনও পর্যন্ত রাজ্য়ে মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭৬,১২০ জন৷ সুস্থ হয়ে উঠার হার বেড়ে হল ৭২.৯৬ জন৷ মঙ্গলবার এই সংখ্য়াটা ছিল ৭২.৩৯ শতাংশে৷

রাজ্য়ের বর্তমান করোনা পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে ইতিমধ্য়েই কোভিড টেস্টের সংখ্য়া বাড়াতে বলেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য় মন্ত্রক। প্রতিদিনই যা বাড়ানোর চেষ্টা করছে রাজ্য়।  গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্য়ে কোভিড টেস্ট হয়েছে ২৭,৭১২ টি৷ পরিসংখ্য়ান বলছে, এটাই একদিনে বাংলায় সর্বোচ্চ টেস্টের সংখ্য়া। এখনও পর্যন্ত রাজ্য়ে মোট টেস্টের সংখ্যা দাঁড়াল ১১, ৮৬,৯২৩৷

স্বাস্থ্য় দফতরের বুলেটিন বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্য়ে যে ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে কলকাতারই রয়েছেন ১৯ জন৷ এছাড়াও উত্তর ২৪ পরগনায় ১৩,দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ২, হাওড়ায় ৩ জন করোনা নিয়ে মারা গিয়েছেন। পাশাপাশি হুগলিতে  করোনা নিয়ে মারা গিয়েছেন ১ জন, পশ্চিম বর্ধমানে ২, পূর্ব মেদিনীপুরে ৩, ঝাড়গ্রামে ২ ও পুরুলিয়া- নদিয়ায় যথাক্রমে ১ ও ৩ জন। উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়িতে ৩ জন, দার্জিলিংয়ে ১ জন, আলিপুরদুয়ারে ১ জন গত একদিনে সংক্রমণে মারা গিয়েছেন।