দিল্লিতে আম আদিমি পার্টির জয়ের প্রভাব পড়ল এবার বাংলাতেও। বিজয় উৎসবে নেমে কলকাতায় দলের সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর আহ্বান জানাল আপ-এর নেতারা। উন্নত শিক্ষা, স্বাস্থ্যের সঙ্গে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়তে বুধবার লেডিস পার্ক থেকে সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার পর্যন্ত মিছিল করে আম আদমি পার্টি। 

প্লেসমেন্টে নতুন রেকর্ড আইআইএম কলকাতার, গড় বেতন ২৮ লক্ষ

ইন্ডিয়া এগেনস্ট কোরাপশন দিয়ে শুরু। সেই সময় আন্না হাজারের লোকপাল বিলের সমর্থনে শুরু হয়েছিল কেজরিওয়ালের যাত্রা। কিন্তু আন্না দল গঠনের পথে না হাঁটলেও সেই আন্দোলন থেকে আম আদমি পার্টির গড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কেজরিওয়াল। সারা দেশে শুরু হয়েছিল  সদস্য সংগ্রহের কাজ। পিছনে থাকেনি কলকাতাও। দুর্নীতিমুক্ত সরকার আনার হাওয়া গা ভাসিয়েছিল তিলোত্তমা। মূলত যুব প্রজন্মের মধ্য়ে আম আদমি নিয়ে বেশি উৎসাহ দেখা দিয়েছিল। কিন্তু  রাজনীতির পথে কেজরিওয়ালও দুর্নীতিতে নাম থাকাদের দলে  নিতে শুরু করেন। এমনকী দিল্লির নির্বাচনে তাঁদের প্রার্থীপদও দেওয়া হয়। 

কেজরিওয়ালের পথ ধরেই কি বিধানসভার বৈতরণী পার হতে চাইছেন মমতা

যা দেখে অন্যান্যদের সঙ্গে আপ-কেও একই সারিতে ফেলে দেয় বাঙালি। ফলে বাংলাতেও সদস্য  সংগ্রহ গতি পেলে তা থমকাতে শুরু করে। এমনকী আপ-এর প্রার্থীরাই একে একে বিজেপিতে যোগ দিতে শুরু করেন। এবার বাংলায়  সেই থমকে থাকা চাকা ঘোরাতেইে তেড়েফুঁড়ে উঠেছে  কেজরিওলের দল। দিল্লিতে ৭০ আসনের মধ্য়ে ৬২টি বিধানসভা সিট  জিতেছে আম আদমি পার্টি। বিজেপির বরাতে জুটেছে কেবল ৮টি আসন। শূন্য হাতে ফিরতে হয়েছে কংগ্রেসকে। দিল্লিবাসী হাত ধরেনি  কংগ্রেসের। প্রশ্ন উঠেছে, লোকসভা নির্বাচনে দিল্লির সাতটি আসনেই জয় পেয়েছিল বিজেপি। সেখানে দাঁড়িয়ে বিধানসভায় এত খারাপ ফল হল কীভাবে।

স্কুটি দেখলেই সঙ্গমের সাধ, 'কামদেব'-এর কাণ্ডে আতঙ্ক দুর্গাপুরে 

রাজ্য় রাজনীতির পর্যবেক্ষকরা  বলছেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য়ে কেজরিওয়ালের উন্নয়নের ম্যাপই দেখতে পেয়েছে দিল্লিবাসী। যার ফলে হাজার শাহিনবাগ করেও ভোট বিভাজনের ফসল তুলতে পারেনি মোদী-শাহরা। বাংলায় কেজরিওয়ালের এই উন্নয়নকেই হাতিয়ার করতে  চাইছে আম আদমি পার্টি। ফের সদস্য সংগ্রহে জোর দিচ্ছে দল। এদিন কলকাতায় আপের মিছিল থেকেও দলে যোগদানের জন্য আহ্বান জানানো হয়।