পশ্চিমবঙ্গে করোনা অনেক আগে এসেছে। আর সেটা নবান্ন থেকে শুরু হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গে করোনার ইতিহাস। পরিযায়ী শ্রমিক তো হালে আসছে। পশ্চিমবঙ্গে করোনা কবে এসেছে। নবান্ন থেকে শুরু হয়েছে করোনা। আপনারা হিসাব দেখুন তার। পশ্চিমবঙ্গ সরকার নিজে ব্যর্থ। দিল্লি থেকে ফিরে কলকাতা বিমানবন্দরে একথা বললেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী

 তিনি আরও বলেন, লকডাউন মানে সেই পরিকাঠামোটাকে তৈরি করা। সেই পরিকাঠামোকে তৈরি করতে পারেননি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। দিল্লি থেকে ফিরে কলকাতা বিমানবন্দরে ফিরে আক্ষেপের সুরে অধীরবাবু বলেন, ভিন রাজ্য়ে থাকা  রাজ্য়ের শ্রমিকদের বলি-তোমরা হেঁটে হেঁটে এসো। রাস্তায় ট্রাকের তলায় চাপা পরো।রেললাইন ধরে এসো ট্রেনের তলায় চাপা পরো। না খেয়ে না দেয়ে মরো,আমরা এটাই ফরমান জারি করি। কারণ রাজ্য় সরকারের কোনও প্রস্তুতি নেই।

এই বলেই অবশ্য থমে থাকেননি লোকসভার কংগ্রেসের দলনেতা। অধীরবাবু বলেন, আপনি এখানে খেলায়, মেলায় পুজোয় চাঁদা দিতে পারছেন। কিন্তু যারা বাইরে বাইরে গরিব মানুষগুলো আছেন, তাদের এক হাজার টাকা করে সাহায্য করতে পারেননি। সহযোগিতা করেননি। তারা নিরুপায় হয়ে আসছেন। তারা বাধ্য, তারা মরে যাবে। তাই তারা পালিয়ে আসছেন। এই পরিযায়ী শ্রমিকরা রোজগার করে আপনার রাজ্যের জন্য প্রতি মাসে টাকা দেয়। বাইরে থেকে টাকা রোজগার করে কোটি কোটি টাকা দেয় এই রাজ্যে ঢালে। 

আজকে পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে এমন ব্যবহার করছেন। পরিযায়ী শ্রমিকরা যেন শত্রু পশ্চিমবঙ্গের। ব্যাপারটা তা নয়। পরিকাঠামো নাই পশ্চিমবঙ্গে। পশ্চিমবঙ্গে করোনা অনেক আগে এসেছে। আর সেটা নবান্ন থেকে শুরু হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গে করোনার ইতিহাস। পরিযায়ী শ্রমিক তো হালে আসছে। পশ্চিমবঙ্গে করোনা কবে এসেছে। নবান্ন থেকে শুরু হয়েছে করোনা। আপনারা হিসাব দেখুন তার। পশ্চিমবঙ্গ সরকার নিজে ব্যর্থ।