ভার্চুয়াল মিটিং-এর মাধ্যমেই পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পরিবর্তানের দাবি তুললেন কেন্দ্রীয় স্বারাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন বাংলার মত রাজনৈতি হিংসা কোথাও নেই। তারপরেও এই রাজ্য থেকে গত লোকসভা নির্বাচনে ১৮টি আসন পেয়েছে বিজেপি। যা খুব একটা সহজ নয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের তীব্র সহযোগিতা আর সমর্থন ছাড়া সম্ভব নয় বলেও দাবি করেন বিজেপির প্রথম সারির নেতৃত্ব অমিত শাহ। তিনি বলেন আগামী দিনে সোনার বাংলা তৈরি জন্যই এগিয়ে যাবে গেরুয়া শিবির। 

রাজ্য সরকারের  উদাসীনতার কারণে কেন্দ্রীয় একাধিক প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এই রাজ্যের মানুষ। অমিত শাহ সরাসরি বলেন মনতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কারমে এই রাজ্যের মানুষ আয়ুষ্মান প্রকল্পের সুবিধে থেকে বঞ্চিত। প্রথম দিকে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কোজরিওয়ালও এই প্রকল্পের বিরোধিতা করেছিলেন। কিন্তু পরে তিনিও সেই প্রকল্পকে স্বীকৃতী দিয়েছেন। কিন্তু এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যেয়র জন্য এই রাজ্যে থমকে গেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তার বেড়ে যাবে এই ভয় থেকেই রাজ্যে স্বস্থ্য প্রকল্প শুরু করা হয়নি বলেও তিনি অভিযোগ করেন। পাশাপাশি আগামী নির্বচনের বিজেপি জয়লাভের পরই রাজ্যে আয়ুষ্মান প্রকল্প চালু করা হবে বলেও তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। 


রাজ্যের কৃষকদের স্বার্থে কেন্দ্রের যে প্রকল্প রয়েছে তাও রাজ্যে তেমন গুরুত্ব পায়না এই রাজ্যে। আর সেই কারণে করোনা আর আমফানের কারণে সমস্যায় পড়া কৃষকরা কেন্দ্রীয় সরকারের ৬ হাজার টাকা করে পাচ্ছেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে তিনি বলেন শনিবার যদি রাজ্য সমস্যায় পড়া কৃষকদের নামের তালিকা পাঠায় তাহলে সোমবারের মধ্যেই টাকা দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন কেন্দ্র আর কৃষকদের মাঝে কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাঁচিলের মত দাড়িয়ে রয়েছেন? 

কেন্দ্রের যেসব প্রকল্প থেকে বাংলার মানুষ সরাসরি সুবিধে পেয়েছেন তারও বিস্তারিত তালিকা তুলে ধরেন। পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যেরও উত্তর দিয়েছেন তিনি। অমিত শাহ বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মনের ইচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি পুরণ করবে বাংলার মানুষ। দিন কয়েক আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন এই রাজ্য যদি তৃণমূল সামলাতে না পারেন তাহলে বিজেপি এসে দায়িত্ব নিক।