রাস্তায় যানবাহন কম। বনধের আওতায় থেকে বাদ গেল না মেট্রোও! বুধবার সকালে ব্য়স্ত সময়ে কালীঘাট মেট্রো স্টেশনের দরজা বন্ধ করে দেন বনধ সমর্থকরা। মেট্রো স্টেশনে ঢুকে অবরোধের চেষ্টা করা হয় দমদমেও। বন্ধ করে দেওয়া হয় টিকিট কাউন্টারও। চরম দুর্ভোগে পড়লেন যাত্রীরা।

অবরোধ কিংবা বিক্ষোভের তো প্রশ্নই নেই। বরং বনধ বা ধর্মঘটের দিনে শহরের মেট্রো স্টেশনগুলি যাত্রীদের ভিড় বাড়ে। ব্যতিক্রম ঘটেনি বুধবারও। সকাল থেকে রাজ্য়ের বিভিন্ন প্রান্তে ট্রেন অবরোধের চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন বনধ সমর্থকরা। কিন্তু অবরোধ হাত থেকে বাঁচতে যাঁরা মেট্রোয় গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন, বিপাকে পড়তে হয় তাঁদেরও। বনধ সমর্থকদের দাপাদাপিতে রীতিমতো উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হল দমদমে। সকালে মেট্রো স্টেশনে ঢুকে অবরোধের মরিয়া চেষ্টা চালান একদল বাম কর্মী-সমর্থক। জোর করে বন্ধ করে দেওয়া হয় টিকিট কাউন্টার। এমনকী, কাউন্টারে সামনে যে গুটিকয়েক যাত্রী দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁদেরকেও বনধ সমর্থকরা জোর করে স্টেশন থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। সিপিএম-র রাজ্য কমিটির সদস্য কণীনিকা ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে মেট্রো স্টেশনে ঢুকে অবরোধও করতে চেয়েছিলেন বাম কর্মী-সমর্থকরা! কিন্তু পুলিশের তৎপরতায় তা সম্ভব হয়নি, মেট্রো চলাচলে কোনও ব্যাঘাত ঘটেনি।  এদিকে বুধবার সকালে বনধ সমর্থকদের মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় দক্ষিণ কলকাতার হাজরাতেও।  কালীঘাট মেট্রো স্টেশনের দরজা বন্ধ করে দেন কংগ্রেসের ট্রেড ইউনিয়নের সদস্যরা। পতাকা হাতে মেট্রো স্টেশনের বাইরে চলে বিক্ষোভ। বেশ কিছুক্ষণ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়, খুলে দেওয়া হয় মেট্রো স্টেশনের দরজা।

আরও পড়ুন: দেখা নেই বেসরকারি বাস- ট্যাক্সির, বনধের মোকাবিলায় শাসক দলের ভূমিকায় ধোঁয়াশা

উল্লেখ্য, গত বছর একই দিনে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল বাম ও কংগ্রেসের ট্রেড ইউনিয়নগুলি। সেবারই প্রথম অবরোধ হয় মেট্রো স্টেশনেও।  সাধারণ যাত্রীদের মতো টিকিট কেটে মেট্রো স্টেশনে ঢুকেছিলেন কংগ্রেস সমর্থিত ট্রেড ইউনিয়নের কয়েক জন সদস্য। স্টেশনে ঢোকার পর বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তাঁরা।