একেই বলে যেমন কথা তেমন কাজ। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী তালিকায় নাম উঠে ছিল তার। প্রকাশ্যে এসেছিল যাদবপুর কেন্দ্র থেকে প্রতিনিধিত্ব করবেন মিমি চক্রবর্তী। যাবদপুর কেন্দ্রে নানা জনের নানান মত অনেক। এই কেন্দ্র থেকেই একসময় নির্বাচনে লড়েছিলেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পর একে একে বহু মহারথীদের এই কেন্দ্রের আসন গ্রহণ করতে দেখেছে জনসাধারণ।

সেই কেন্দ্রের প্রার্থী তারকা, মেনে নিতে পারেননি কিছু সংখ্যক মানুষ। নাম প্রকাশ্যে আসলেই ট্রোলের শিকার হতে হয় মিমি চক্রবর্তীকে। অনেকে আবার প্রশ্নও তুলেছিলেন রাজনীতির ময়দানে কতটা জোড়ালো টক্কর দিতে পারবে মিমি, সেই সকল প্রশ্ন স্পষ্ট জবাব মিলেছিল ২৩শে মে। বিপুল ভোটে জয় লাভ করেছিলেন মিমি। প্রত্যহ প্রচার অনুষ্ঠানে গিয়ে মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন-আমি সকলের জন্য কাজটা ভালোবেসে করতে চাই। মানুষের আশির্বাদ বরাবরই আমার সঙ্গে আছে। তাই এবার আমি তাদের পাশে থাকতে চাই।

নির্বাচনী প্রচারে এসে এমন অনেক প্রতিশ্রুতিই দিয়ে থাকেন প্রার্থীরা। তাই সেই বিষয় কর্ণপাত না করে সমালোচনার শীর্ষে উঠে আসে মিমির গ্লাফস, রিক্সায় তোয়ালে প্রভৃতি। কিন্তু নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশের পর অভিযোগের সুযোগ দিলেন না কাউকে। পেসার লো, শরীর খারাপ নিয়েই মঙ্গলবার বেড়িয়ে পরেছিলেন এলাকা পরিদর্শনে। সোনারপুরের উত্তরের দিকের অবস্থা কেমন, তা জানতেই পৌঁচ্ছে গেলেন এলাকায়। যত্রতত্র পরে থাকা আবর্জনা, জলের সমস্যা, বাজারের ব্যবস্থা, স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলে বুঝে নিলেন বর্তমান পরিস্থিতির চিত্রটা।

এখনও শপথ গ্রহণ করেননি তিনি, কিন্তু তারই মাঝে জনসাধারনের কাছে করা প্রতিশ্রুতি পালনে পা বাড়ালেন মিমি। স্থানীয় মানুষের বিশ্বাস, ভরসার আরও কিছুটা জিতে নিলেন সাংসদ মিমি চক্রবর্তী।