প্রয়াত সাহিত্যিক দেবেশ রায়, রয়ে গেল তিস্তাপারের বৃত্তান্ত, রয়ে গেল তাঁর অনবদ্য রচনার সম্ভার। বৃহস্পতিবার খবর প্রকাশ্যে আসা মাত্রই সাহিত্য জগতে নেমে আসে শোকের ছায়া।  মৃত্যুকালে সাহিত্যিকের বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। বেশ কয়েকদিন ধরেই তিনি বার্ধক্যজণিত নানা সমস্যায় ভুগছিলেন। স্বাস্থ্যের অবস্থার অবনতী ঘটলে তাঁকে মঙ্গলবার তেঘরিয়ার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

সাহিত্যিকের শরীরে সোডিয়াম ও পটাসিয়ামের পরিমাণ সঠিক না থাকায় সমস্যা বাড়তে থাকে। মঙ্গলবার রাতেই তিনি ভেন্টিলেশনে চলে যান। বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ৫০ মিনিটে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। লকডাউনের মাঝেই কিংবদন্তী সাহিত্যিকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণত তিনি খুব একট ভুগতেন না। লেখার পাশাপাশি সামাজিক কর্তব্যও পালন করতেন। শঙ্খ ঘোষ অসুস্থ থাকার সময় দেখা করতেও গিয়েছিলেন দেবেশ রায়। 

দেবেশবাবুর স্ত্রী কাকলি দেবী ২০১৭ সালে প্রয়াত হয়েছেন। সম্বল একমাত্র ছেলে দেবর্ষি রায়, তিনি থাকেন বরোদায়। লকডাউনের জন্য বাবাকে শেষ দেখা হল না। লেখকদের খেলক দেবেশ রায়ের প্রয়াণে স্তব্ধ সাহিত্য জগত। ১৯৯০ সালে তিস্তাপারের বৃত্তান্তের জন্য সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার পান তিনি। যা পরবর্তীতে লেখকের পরিচয় হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। ১৯৩৬ সালের ১৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশের পাবনা জেলার বাগমারায় জন্ম দেবেশ রায়ের। তাঁর প্রথম গল্প প্রকাশিত হয় ১৯৫২ সালে। তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘লগন গান্ধার’, ‘মানুষ খুন করে কেন’, ‘বরিশালের যোগেন মণ্ডল’, ‘মফস্বলী বৃন্তান্ত’, ‘সময় অসময়ের বৃত্তান্ত’ প্রভৃতি। 

করোনা মোকাবিলায় রক্ষা করুন নিজেকে, মেনে চলুন 'হু' এর পরামর্শ

সাবধান, করোনা আতঙ্কের মধ্যে এই কাজ করলেই হতে পারে জেল

কী করে করোনার হাত থেকে রক্ষা করবেন আপনার বাড়ির বয়স্ক সদস্যদের, রইল তারই টিপস

শরীরে কীভাবে থাবা বসায় করোনা, জানালেন বিশেষজ্ঞরা