সোমবার ভোরের আলো ফুটতেই রাজ্য জুড়ে দাদা-ভাইদের মঙ্গলকামনায় বোনেরা  ফোটা দিচ্ছেন। আর সেই তালিকায় রাজ্য়ের তিন মন্ত্রীও আছেন। সুন্দর বাঙালি পোশাকে পাট ভাঙা ধুতি-পাঞ্জাবি পরে  ভাইফোঁটা নিলেন রাজ্যের তিন মন্ত্রী। সোমবার সকালেই ভাইফোঁটা নিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়, অরূপ বিশ্বাস। 

 

 

ভাইফোঁটা নিলেন শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়

নিজের বাড়িতে পুত্র এবং তৃণমূল যুব কংগ্রেস নেতা সায়ন দেব চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে এক সাথে বসে ভাইফোঁটা নিলেন রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়। শোভন দেব চট্টোপাধ্যায় জানান, সব প্রজন্ম এক সঙ্গে বসে ভাইফোঁটা নেওয়াটাই আমাদের বাড়ির রীতি। বোনের কাছ থেকে ভাইফোঁটা নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বোনের হাতে উপহার তুলে দেন মন্ত্রী। 

 

 

 
'আগামী বছর আগের মত ভাইফোঁটা':ফিরহাদ


অন্যদিকে চেতলা অগ্রণী ক্লাবে ভাইফোঁটা নিলেন ফিরহাদ হাকিম। একেবারে বাঙালি সাজে ভাইফোঁটা  নিতে আসেন ফিরহাদ হাকিম। ফিরহাদ হাকিম বলেন, এই দিন তার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। এই দিনটার জন্য তিনি গোটা বছর অপেক্ষায় থাকেন বলে জানান ফিরহাদ হাকিম। একই সঙ্গে ফিরহাদ হাকিম বলেন, 'এই বছর করোনা ভাইরাসের কারণে মাস্ক পরে ভাইফোঁটা নিতে হচ্ছে আশা করবো আগামী বছর আগের মত ভাইফোঁটা নিতে পারব আমরা'। 

 


ভাইফোঁটায় এক বৃদ্ধাশ্রমে যান অরূপ বিশ্বাস


ভাইফোঁটা নিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। নিজের বাড়িতে বোন এর কাছ থেকে ভাইফোঁটা নিলেন তিনি। উলুধ্বনি দিয়ে দাদা অরূপ বিশ্বাসের কপালে চন্দনের ফোঁটা পরিয়ে দেন বোন। যদিও এর আগে নিজের বিধানসভা এলাকায় এক বৃদ্ধাশ্রমে যান অরূপ বিশ্বাস। তবে, করোনা ভাইরাসের কথা মাথায় রেখে এবং বয়স্ক মহিলাদের কথা ভেবে ভাইফোঁটার অনুষ্ঠানে যোগ দেননি তিনি। তবে, ৬৫ জন আবাসিকের জন্য দুপুরের খাওয়ার ব্যবস্থা করেন অরূপ বিশ্বাস।