পুজোতে ধারাবাহিক বৃষ্টির রুটিনে বাদ সেধেছিল কাজকর্ম। পুজো মিটতেই ডেঙ্গু অভিযানে নাম বিধাননগর পুরনিগম। ময়দানে নামলেন স্বয়ং কৃষ্ণা চক্রবর্তী, সঙ্গে মেয়র পারিষদ স্বাস্থ্য ও পুর নিগমের স্বাস্থ্যকর্মীরা।
 
আজ বিকেলে বিধাননগর পৌরনিগমের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের মহিষবাথান এলাকার কয়েকটি নির্মীয়মান বহুতলে হানা দেন মেয়র। তিনি জানান, কয়েকদিন ধরে ওই এলাকা থেকে ডেঙ্গুর হানাদারির অভিযোগ যাচ্ছিল পৌরনিগমের কাছে। বেশিরভাগ মানুষই বলছিলেন, ওখানে বেশকিছু মানুষ জ্বরে আক্রান্ত। তার মধ্যে কয়েকজনের ডেঙ্গুও ধরা পড়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই ওই এলাকায় অভিযানে নামে বিধাননগর পৌরনিগম। সেখানে গিয়ে একটি বহুতলের আবাসিকদের সাথে কথা বলেন নিগমের কর্তারা। তার চারপাশে নির্মীয়মান যে বহুতল, সেখানে ঘুরে দেখে রীতিমতো রেগে যান মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী। 

দেখা যায় একটি বন্ধ নির্মীয়মান প্রজেক্টের  মধ্যে জঙ্গল আবর্জনা ভর্তি হয়ে আছে। ফ্লোরে জলও জমে রয়েছে ও প্রজেক্টে। বিধাননগর পৌরনিগমের তরফ থেকে আগামীকাল থেকেই সেই আবর্জনা পরিষ্কারের কাজ শুরু করা হবে। এবং বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা ওই বহুতল কোম্পানিকে নোটিশ পাঠানো হবে বলে জানান বিধাননগর পৌর নিগমের মেয়র। এখানেই শেষ নয়। এলকার  একটি  আবাসিক বহুতলের বেসমেন্ট থেকেও ডেঙ্গুর লার্ভা উদ্ধার হয়। এরপরেই ওই আবাসিকদের বিষয়গুলো দেখে এলাকা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার অনুরোধ জানানো হয়। 

এর পাশাপাশি আরও একটি নির্মীয়মান বহুতলে গেলেও সেখানে মশার লার্ভা মেলে।  সেই বহুতলের আধিকারিকদের ডাকা হলে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকতে হয় মেয়রকে। অবশেষে কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর এক আধিকারিক বেরিয়ে আসেন। শুক্রবারের  মধ্যে সমস্ত জল যাতে পরিষ্কার করে দেওয়া হয় তার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই আধিকারিককে। জানা গেছে, পরবর্তীকালে প্রতি এক সপ্তাহ অন্তর ওই বহুতলে ভিজিট করবেন পৌরনিগমের কর্মীরা। যদি পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয় তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে পৌরনিগমের তরফে ।