রাজ্য়ে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের সরকার আর ফিরছে না। দিদিকে আর বাঁচানো যাবে না, দিদির বিসর্জন হবেই। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে এমনই হুংকার দিলেন বিজেপির রাজ্য় সভাপতি দিলীপ ঘোষ। 

আজ সকালে বেলেঘাটা সুভাষ সরোবরে প্রাতঃভ্রমণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি সকাল পাঁচটা কুড়ি মিনিট নাগাদ বেলেঘাটা সুভাষ সরোবর পৌঁছন এবং সেখানে স্থানীয় বেশ কিছু বিজেপি কর্মী সমর্থক এবং স্থানীয় মানুষ নিয়ে যোগ অভ্যাস সারেন। পাশাপাশি এই মুহূর্তে অর্থাৎ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের হাত থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে তিনি বেশ কিছু টোটকা দেন এবং যোগাভ্যাস করার কথা বলেন। সাড়ে সাতটা নাগাদ যোগ অভ্যাস সেরে তিনি ফুল বাগান মোড়ে চা চক্রে অংশগ্রহণ করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে। তাদের অভাব-অভিযোগের কথা শোনেন তিনি।

তিনি জানান, করোনা ভাইরাস নিয়ে আরো সতর্ক হওয়া উচিত যেভাবে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন জুলাই মাসে বাড়বে সেইমতো ১০০-২০০ হচ্ছিল। আর এখন ৫০০ সংক্রমনের হার দাঁড়িয়েছে প্রতিদিন। লকডাউন ঠিকমতো হয়নি কন্টেনমেন্ট কোথায় হলো সেটাও দেখা গেল না সংক্রমণ বেশি হলেও অসুস্থতার হার বেশি তবে সরকারকে এই ভাইরাস থেকে মানুষকে বাঁচাতে আরো কড়াকড়ি পদক্ষেপ নিতে হবে।

রেল, বিমান বন্ধ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান সংক্রমণের ক্ষেত্রে রেল, বিমান আছে ঠিকই। তবে রিভিউ করতে হবে রাজ্য সরকার সবাইকে কাজে যোগদান করতে বলছেন অথচ পরিবহন বলে কিছুই নেই সেক্ষেত্রে সমস্ত কিছু আলোচনা করতে হবে।

কোরনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ৬৫ বছরের বৃদ্ধদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য বিরোধিতা করেছেন তৃণমূল। দিদিমণি কখনও বলছেন ইভিএম নয় ব্যালট চাই। সরকারি সুরক্ষা কর্মী, পুলিশকর্মী সবাই পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেয়। বয়স্কদের ভাইরাসের সংক্রমনের হার সবচেয়ে বেশি তাদের যেন ভোট দিতে ভিড়ে যেতে না হয় সেই জন্য পোস্টাল ব্যালটের কথা বলেছেন। কিন্তু উনি ভয় পাচ্ছেন। ওদের আত্মবিশ্বাস হারিয়ে গেছে। হারজিত জনগণের ওপর।

আমফান ঝড়ের ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের টাকা সবাই পাবেন কেউ বঞ্চিত হবেন না গতকাল বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানান, এটা বলতে এত সময় লাগে চুরি করে তো ঢাক করে নিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা থেকে বের হন না তাই বলতে পারেন না আর তার যে চামচা বেলচা আছে দিদির জয় বলে দিদিকে ডুবিয়ে দিচ্ছে সবকিছু হাতের বাইরে চলে গেছে। পুলিশ শিক্ষা স্বাস্থ্য কোন কিছুই করার নেই। দিদি ভালো দিদির অনুপ্রেরণায় সব হয়েছে। দিদিকে আর বাঁচানো যাবে না দিদির বিসর্জন হবেই।