চলছে সাত দফার লোকসভা নির্বাচন। 'গণতন্ত্রের থাপ্পড়' থেকে শুরু করে 'দিদির আশির্বাদ', ফেসবুক ভেসে যাচ্ছে নির্বাচনী বাছাই বুলিতে। কাদা ছোঁড়াছুড়িতে সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করতে চাইছে যুযুধান সব শিবিরই। আকছাড় তৈরি হচ্ছে মিমও। এবার তেমনই একটি মিম তৈরি করে বিপদে পড়লেন হাওড়ার বিজেপি মহিলা মোর্চার মুখ্য আহ্বায়ক প্রিয়ঙ্কা শর্মা। প্রিয়ঙ্কাকে গ্রেফতার ‌করে হাওড়া জেলা আদালতে তোলা হলে তাঁকে
১৪ দিনের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন আদালত। বিজেপি শিবিরের দাবি এটি উদ্দেশ্য প্রণোদিত রাজনৈতিক হেনস্থা।

বুধবারই হাওড়ার দাশনগরের বাসিন্দা  বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলার বিভাস হাজরা। তারপরেই আসরে নামে পুলিশ। হাওড়ার বাড়ি থেকে প্রিয়ঙ্কাকে গ্রেফতার করে। তাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে বিক্ষোভ দেখায় হাওড়া জেলার বিজেপি  কর্মীরা। 

ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার হাওড়া সদরের সহ-সভাপতি আনন্দ রাইয়ের দাবি, এমন কিছুই করেননি প্রিয়ঙ্কা। তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে রাজনৈতিক কারণেই। বৃহত্তর আন্দোলনে যাবার হুমকিও দিয়েছেন তারা। 

এ রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কার্টুন শেয়ার নিয়ে অতীতে কম জলঘোলা হয়নি। তবে এখন আবহ অন্য। ভোটকে নজরে রেখেই প্রতিটি পদক্ষেপ নিচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলি। এখন দেখার কোথাকার জল কোথায় গড়ায়।