শহরের মানসিক হাসপাতালে রোগীর রহস্যমৃত্যু। পাভলভ হাসপাতালের ছাদে মিলল এক মহিলার ঝুলন্ত দেহ। শুক্রবার সন্ধ্যায় হাসপাতালে মহিলা বিভাগ থেকে তিনি নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। প্রশ্নের মুখে হাসপাতালে নিরাপত্তা।

মাস ছয়েক ধরে পাভলভ হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল আশা বর্মা নামে এক মহিলার। হাসপাতালে মহিলা বিভাগে ভর্তি ছিলেন তিনি। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় আয়াদের নজরে পড়ে যে, ওয়ার্ডে নেই আশা! যথারীতি শুরু হয় খোঁজাখুঁজি।  দীর্ঘক্ষণ পর খোঁজ মেলে ওই রোগীর। ছাদে তাঁর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান হাসপাতালের কর্মীরা। গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে আশা ঝুলছিলেন বলে জানা গিয়েছে। খবর দেওয়া হয় থানায়। কিন্ত মেঝে থেকে অনেকটা উঁচুতে ছিলেন ওই রোগী, তাই দেহ উদ্ধার করতে গিয়ে বিপাকে পড়েন পুলিশকর্মী।  হাসপাতালে আসে দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা দলও।  দেহটি নামিয়ে রাতেই ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: মারণ রোগ কেড়েছে প্রিয়জনদের, ক্যানসার রোগীদের পাশে দাড়াতে ন্যাড়া হলেন সৌমিতা

কিন্তু সকলের নজরে এড়িয়ে মহিলা ওয়ার্ড থেকে কীভাবে হাসপাতালে ছাদে পৌঁছে গেলেন আশা বর্মা? শুধু তাই নয়, দেহটি এতটাই উঁচুতে ছিল যে, দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা দলকে ডাকতে হয়। এত উঁচুতেই বা কী করে পৌঁছলেন ওই রোগী? প্রশ্ন অনেক, কিন্তু উত্তর নেই।  ঘটনার তদন্তে নেমেছে তপসিয়া থানার পুলিশ। প্রয়োজনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, ঘটনার সময়ে মহিলা দায়িত্বে থাকা কর্মী, এমনকী অন্য রোগীদের সঙ্গে তদন্তকারীরা কথা বলতে পারেন বলে জানা গিয়েছে।  পাভলভ মানসিক হাসপাতালে রোগীর মৃত্যু কিন্তু এই প্রথম নয়।  কয়েক মাস আগে এই হাসপাতালের এক রোগীর মারে প্রাণ গিয়েছিল আর এক রোগীর।  বারবার কেন এমন ঘটনা ঘটছে? আতঙ্কে রোগীর পরিবারের লোকেরা।