রাজ্যের পার্শ্বশিক্ষকদের পথ ধরল এবার বৃত্তিমূলক শিক্ষকরাও। তাদের দাবিদাওয়া সরকারের কাছে পৌঁছে দিতে রানি রাসমণি রোডে অবস্থান, বিক্ষোভে বসার ছাড়পত্র মিলল কলকাতা হাইকোর্ট থেকে। তবে রানি রাসমণি রোড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা হওয়ায় তিনদিনের বদলে অনুমতি মিলেছে একদিনের । কলকাতা হাইকোর্ট তাদের মাত্র একদিন সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত বসার অনুমতি দিয়েছে৷ 

তাদের সঠিক বেতনক্রমের আওতায় আনা সহ একাধিক দাবিদাওয়া নিয়ে ধর্না, অবস্থানে বসেছেন পার্শ্বশিক্ষকরা। তাদের মতোই বৃত্তিমূলক শিক্ষকরাও বেতনক্রম বৃদ্ধি সহ একাধিক দাবিদাওয়া নিয়ে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী এবং কারিগরি শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে মাসখানেক আগে প্রথমে দেখা করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাদের কথা না শুনে উলটে লালবাজারে এনে ছেড়ে দেওয়া হয়৷ এমনকী কয়েকজনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপর ওই শিক্ষকরা রানি রাসমণি রোডে তিন দিন ধরে অবস্থান, বিক্ষোভ করার জন্য লালবাজারের অনুমতি চেয়ে চিঠি দেওয়৷ কিন্তু সেখানেও অনুমতি মেলেনি ৷ বাধ্য হয়ে তাঁরা হাইকোর্টে আসেন। 

বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যর এজলাসে এদিন মামলাটি ওঠে। সমর প্রামাণিক সহ কয়েকজন মামলাকারী শিক্ষকদের হয়ে  আইনজীবী অনিন্দ্যসুন্দর দাস বলেন, 'শিক্ষকরা তাদের ন্যায্য দাবিদাওয়া আদায়ে অবস্থান করতে চাইছেন ১৯ নভেম্বর থেকে তিনদিন ধরে। কিন্তু পুলিশ অনুমতি দিচ্ছে না। আদালত এবিষয়ে হস্তক্ষেপ করুক।' কিন্তু আদালত জানিয়ে দেয়, রানি রাসমণি রোড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাস্তা। সেখানে টানা তিন দিন ধরে অবস্থান, বিক্ষোভ করা যাবে না। পরিবর্তে মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।