Asianet News BanglaAsianet News Bangla

চিকিৎসায় গাফিলতিতে কিশোরীর মৃত্যু, নামী হাসপাতালকে পাঁচ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ

  • চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ নামী হাসপাতালের বিরুদ্ধে
  • গল ব্লাডার অপারেশন করাতে গিয়ে মৃত্যু কিশোরীর
  • ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেয় স্বাস্থ্য কমিশন
  • কমিশনের নির্দেশ বহাল রাখল কলকাতা হাইকোর্ট
     
Calcutta high court orders private hospital to pay compensation to victim family
Author
Kolkata, First Published Dec 3, 2019, 11:49 AM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

কিশোরীর চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে আর এন টেগোর হাসপাতালকে ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এর আগে রাজ্য স্বাস্থ্য কমিশন এই একই নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু কমিশনের ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেওয়ার আদৌ এক্তিয়ার রয়েছে কি না, সেই প্রশ্ন তুলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হাইকোর্টে আসে। কিন্তু সোমবার মামলার রায় দিতে গিয়ে বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য রায়ে স্পষ্ট করে দেন, কমিশনের এক্তিয়ার রয়েছে। এবং পনেরো দিনের মধ্যে ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে মৃত কিশোরীর পরিবারকে। 

গত বছর ১৮ মার্চ পেটের প্রবল যন্ত্রণা নিয়ে বাইপাসের ধারে আর এন টেগোর হাসপাতালে ভর্তি  হয় সোনারপুরের বাসিন্দা ১৪ বছর বয়সি কিশোরী অনিন্দিতা মণ্ডলকে। পরেরদিন অস্ত্রোপচার করে গলব্লাডার থেকে স্টোন বের করেন চিকিৎসকরা। কিন্তু কাটাছেঁড়ার সময়ই গোল বাধে। অনিন্দিতার পিত্তথলির নালিতেও ছিদ্র করে ফেলেন চিকিৎসকরা। কিশোরীর সারা শরীরে পিত্তরস ছড়িয়ে পড়ে। তাকে ভেন্টিলেশনে রাখতে হয়। পরে সেপ্টিসেমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় অনিন্দিতার। অনিন্দিতার পরিবার যাদবপুর থানায় অভিযোগ জানায়৷ পাশাপাশি, স্বাস্থ্য কমিশনেও নালিশ ঠোকে।

স্বাস্থ্য কমিশনে শুনানি চলাকালীন হাসপাতালের সুপার চিকিৎসক জয়দীপ ভট্টাচার্য কমিশনে প্রস্তাব দেন, রোগিনীর পরিবারকে তারা ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে চান। কমিশনও নির্দেশ দেয় ক্ষতিপূরণের। কিন্তু হাসপাতালের তরফে  সুপারের দেওয়া প্রস্তাবকে খারিজ করা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করে, সুপার তাঁর ব্যক্তিগত মতামত দিয়েছেন। হাসপাতাল তাঁর সঙ্গে একমত নয়। 

এর পর হাসপাতালেরই অন্য এক চিকিৎসক নীতীন মল্লিনাথ কমিশনের কাছে ক্ষতিপূরণের নির্দেশ পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন জানান। কিন্তু কমিশন তা খারিজ করে দেয়। কমিশনের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হাইকোর্টে মামলা করে। কিন্তু হাইকোর্টও কমিশনের রায় বহাল রেখে জানিয়ে দেয়, পনেরো দিনের মধ্যে কিশোরীর পরিবারের হাতে তুলে দিতে হবে ৫ লক্ষ টাকা।

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios