লকডাউনে কাজ হারানো যৌনকর্মী, রূপান্তরকামীদের মতো মানুষের পাশে দাঁড়ালেন রাজ্য়ের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছেন  যৌনকর্মী এবং রূপান্তরকামীরা। ইতিমধ্য়েই তাঁদের হাতে চাল, ডাল, আলু, আটা, মুড়ি, বিস্কুট, সাবান, তুলে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন, পার্ক সার্কাসের বেসরকারি হাসপাতালে প্রৌঢ়ের মৃত্য়ু, করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসতেই অভিযোগ তুলল পরিবার

নবান্নে  মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'কলকাতায় কিছু ট্রান্সজেন্ডার আছে, লিটল স্টার আছে, যৌন-পল্লি এলাকা আছে।  আমি কিছু স্বেচ্ছাসেবকদের দিয়ে আগেই সাহায্য করেছি। খেয়াল রাখতে হবে যাতে যৌনকর্মীরা রোজ খাবার পান।' বিষয়টি সুনিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনিক কর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি। কলকাতা পুলিশকেও বিষয়টি দেখার জন্য বলেন। রূপান্তরকামীরাও যাতে খাবার পান, তা দেখার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। গত ৩০ মার্চ সোনাগাছিতে গিয়ে কাজ হারানো যৌনকর্মীদের হাতে চাল, ডাল, আলু, আটা তুলে দেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। ৩১ মার্চ থেকে প্রান্তিক মহিলা ও শিশুদের দুপুরের খাবারের ব্যবস্থাও করেন শশী পাঁজা। পাশাপাশি রূপান্তরকামীদের মধ্যে চাল, ডাল, আলু, মুড়ি, বিস্কুট, সাবান বিলি করা হয়েছে।
 

আরও পড়ুন, এমআর বাঙ্গুরের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ৫ রোগীর মৃত্যু, কারণ জানতে অপেক্ষা নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টের

অপরদিকে এই পরিস্থিতিতে যৌনকর্মীদের পাশে দাঁড়ায় রাজ্য সরকারের পাশাপাশি যৌনকর্মীদেরই সংগঠন দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটি। বৌবাজার, কালীঘাট, চেতলা, খিদিরপুর মিলিয়ে সংখ্যাটা আরও এক হাজার। গোটা রাজ্য মিলিয়ে প্রায় ৩০ হাজার। তাঁরা মনে করছেন, আগামী অন্তত তিন মাস পল্লিগুলিতে পেশা বন্ধ রাখতে হবে। একজনের সংক্রমণ হলে গোটা এলাকায় বিপদ নামবে। সম্প্রতি দুর্বার সোশ্য়াল মিডিয়ায় সাহায্যের আবেদন জানিয়েছিল। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে এ পর্যন্ত এক লাখ ৩০ হাজার টাকা জমা পড়েছে তহবিলে।
 

 

এনআরএস-র আরও ৪৩ জন স্বাস্থ্য কর্মীর রিপোর্ট নেগেটিভ, স্বস্তিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

করোনার রোগী সন্দেহে বৃদ্ধকে বেধড়ক মার, স্যালাইনের চ্যানেল করা হাতে দড়ি পড়ালো মানিকতলাবাসী

করোনায় আক্রান্ত এবার কলকাতার ২ ফুটপাথবাসী, হোম কোয়ারেন্টাইনে উদ্ধারকারীরা