এক টাকা দু'টাকা নয়,৫৫০ কোটি টাকা ঋণের বোঝা ছিল তাঁর মাথায়। সেই ঋণ মেটাতে পারেনি বলে সুইস টেক জায়েন্ট এরিকসন তাঁর গ্রেফতারির দাবিও জানিয়েছিল। এবার বকেয়া নিয়ে আরও বড় ঝামেলায় পড়লেন অনিল অম্বানি।

এবার তাঁর সংস্থা রিলায়েন্স কমিউনিকেশন্স এর বিরুদ্ধে আদালতে গেল একাধিক চিনা সংস্থা। তাদের অভিযোগ, অনিল অম্বানি ১৪ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকা ধার নিয়েছিলেন একাধিক চিনা ব্যাঙ্ক থেকে। দীর্ঘদিন দেনায় ডুবে রয়েছেন অনিল অম্বানি। এরিকসন মামলায় তাঁর গ্রেফতারিও অনিবার্য হয়ে পড়েছিল। তাঁকে শেষ মুহূর্তে বাঁচিয়ে দেন মুকেশ অম্বানি। ধার মেটান তিনি নিজেই। সেই পর্ব মিটতে না মিটতেই ফের নতুন ঝামেলায় অনিলের সংস্থা। ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্করাপসি কোর্টে নিজেদের টাকা বুঝে নিতে এসেছে চায়না ডেভলপমেন্ট ব্যাঙ্ক, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড কমার্সিয়াল ব্যাঙ্ক, এক্সিম ব্যাঙ্ক অব চায়না। এক্সিম ব্যাঙ্কের দাবি ৩ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা। ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল কমার্শিয়াল ব্যাঙ্ক বুঝে নিতে চায় ১ হাজার ৫৪ কোটি টাকা।চায়না ডেভলমন্ট ব্যাঙ্ক ফেরত চায় ৯ বাজার ৮০০ কোটি টাকা। নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করা অনিল অম্বানি এই টাকা শোধ করবেন কী করে, কী কারণে এই টাকা ধার নিযেছিলেন তিনি, বাজারে এই মর্মে প্রশ্ন ছড়াচ্ছে। 

প্রসঙ্গ রাফাল কাণ্ডেও বারবার উঠে এসেছে অনিল অম্বানির নাম। কংগ্রেস সেই কাণ্ডকে হাতিয়ার করে লড়তেও চেয়েছিল ২০১৯ লোকসভা ভোটে। বলাই বাহুল্য তাঁদের প্রচেষ্টা ফল দেয়নি।কিন্তু তাতে রক্ষা পাননি অনিল অম্বানি। এবার কে বাঁচাবেন তাঁকে? সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন উঠছে।