ছোট বয়সে বড় কাজ। বছর বারোর ছাত্রের হাত থেকে বেরোল বিরল আবিষ্কার। প্রতি  মিনিটে গাড়ির দূষণ সূচক বলে দেবে নতুন এই যন্ত্র। এমনই আবিষ্কার করেছে হুগলির অভিজ্ঞান কিসোর দাস।

ধূষণ প্রতিরোধে নাজেহাল অবস্থা হয়েছে রাজধানীর। শীত পড়ার আগেই ধুলোর দূষণ ছেয়ে গেছে কলকাতায়। বাধ্য় হয়ে খোদ মহানগরের বুকে মুখে দূষণ প্রতিরোধী মাস্ক লাগিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে মানুষ। শীত পড়ার আগেই ধুলোর দূষণের দোসর হয়েছে গাড়ির দূষণ। তবে সমস্যা থেকে সমাধানের পথ দেখাচ্ছে ক্লাস সেভেনের এক ছাত্র। হুগলি কলেজিয়েট স্কুলের অভিজ্ঞান জানিয়েছে,গাড়ির দূষণ থেকে সবাইকে মুক্তি দিতে যন্ত্র বানিয়ে ফেলেছে সে। 

প্রতি মিনিটে গাড়ির দূষণ সূচ্ক নির্দেশ করবে এই যন্ত্র। কোনওভাবে গাড়ির  দূষণ নিয়ন্ত্রণে না থাকলে  গাড়ির মালিককে এসএমএস-এ বার্তা পাঠাবে যন্ত্র। সাতদিন গাড়ির দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য সময় দেওয়া হবে চালককে। সাত দিনের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে পাল্টা মালিকের বিরুদ্ধেই রাজ্য়ের দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের কাছে অভিযোগ জানানো হবে। এসএমএস-এর মাধ্যমে সেই অভিযোগ পৌঁছে যাবে পর্ষদের দফতরে। 

ইতিমধ্য়েই বিজ্ঞান মেলায় সাড়া ফেলে দিয়েছে অভিজ্ঞানের এই যন্ত্র। নেহাতই খেলার ছলে দেখার বদলে এই যন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছে রাজ্য়ের ওয়াকিবহাল মহল। আদতে এই যন্ত্র বাজারে আনতে কী খরচ হবে তা নিয়েও শুরু হয়েছে খোঁজ। বর্তমানে ডেমো ইউনিট থাকলেও ভবিষ্য়তে এই যন্ত্র বাজার আনতে চায় অভিজ্ঞান। ছোট থেকেই তাই চলছে স্বপ্নের কাটাছেঁড়া।