তান্ত্রিকের ঘর থেকে উদ্ধার হল বছর চল্লিশের এক ব্যক্তির মৃতদেহ দক্ষিণ ২৪ পরগণার বারুইপুর থানার অন্তর্গত বেতবেরিয়া রামকৃষ্ণপল্লী এয়াকার ঘটনা পুলিশ ও স্থানীয় মানুষদের প্রাথমিক অনুমান খুন করা হয়েছে ওই ব্যক্তিকে

তান্ত্রিকের ঘর থেকে উদ্ধার হল বছর চল্লিশের এক ব্যক্তির মৃতদেহ। দক্ষিণ ২৪ পরগণার বারুইপুর থানার অন্তর্গত বেতবেরিয়া রামকৃষ্ণপল্লী এয়াকার ঘটনা। পুলিশ ও স্থানীয় মানুষদের প্রাথমিক অনুমান খুন করা হয়েছে ওই ব্যক্তিকে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

শুক্রবার রাতে ঘটনার খবর পেয়ে বারুইপুর থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে এবং ময়না তদন্তের জন্য নিয়ে যায়। তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে নিহত ব্যক্তির নাম কুদ্দুস সর্দার। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত তান্ত্রিক সত্যরঞ্জন হাওলাদার। তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বহু বছর ধরেই সত্যরঞ্জন হাওলাদার নামে এই ব্যক্তি তন্ত্র সাধনা করেন। বিভিন্ন সময়ে বহু মানুষজন ওই ব্যক্তির কাছে আসতেন। এলাকার মানুষই জানিয়েছে, এলাকায় ওই তান্ত্রিকের খুব একটা সুনাম ছিল না। কারও সঙ্গে কিছু হলেই তাকে বিভিন্ন ভাবে ভয় দেখাত তান্ত্রিক। স্থানীয় মানুষ তাই দাবি করছে খুন করা হয়েছে কুদ্দুসকে। কুদ্দুসের মাথার পিছনে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। খুনের পর সত্যরঞ্জন নিজের ঘরেই কুদ্দুসের দেহ কাঁথা ও বালিস দিয়ে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। 

স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, পরিকল্পিত ভাবেই খুন করা হয়েছে ওই ব্যক্তিকে। এই ঘটনায় কুদ্দুসের স্ত্রীও জড়িত রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। 

বারুইপুর থানার পুলিশ প্রাথমিক তদন্তের পর মনে করছে খুন করা হয়েছে কুদ্দুসকে। 

জানা গিয়েছে, তন্ত্র সাধনার নামে কুদ্দুসের স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছিল সত্যরঞ্জন। আর সেই সম্পর্কের কারণেই কুদ্দুসকে খুন করা হয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ। তবে স্থানীয়দের দাবি, তন্ত্র সাধনার জন্য কুদ্দুসকে বলি দেওয়ার চেষ্টাতেই খুন করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই সত্যরঞ্জন ও কুদ্দুসের স্ত্রী দুজনেই পলাতক। 

শুক্রবার সন্ধ্যায় তান্ত্রিক সত্যরঞ্জনের ছেলে বাড়ি ফিরে দেখে রক্তাক্ত অবস্থায় এক ব্যক্তি তাদের বিছানায় পড়ে রয়েছেন। সেই আশপাশের মানুষজনকে ডেকে নিয়ে এলে বিষয়টি জানাজানি হয়। ঘটনার খবর পেয়ে রাতে বারুইপুর থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়।