প্রধানমন্ত্রীর পোশাক মন্তব্য়ের পাল্টা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই রাজ্য়ের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির জন্য় মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে দায়ী করলেন দিলীপ ঘোষ। 

পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশ বানানোর চক্রান্ত  চলছে। যাতে পূর্ণ মদত দিচ্ছেন রাজ্য়ের মুখ্য়মন্ত্রী। এদিন রাজ্য়ের হিংসাত্বক পরিস্থিতির জন্য মুখ্য়মন্ত্রীকে দায়ী করে এমনই মন্তব্য় করলেন বিজেপির রাজ্য় সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মেদিনীপুরের সাংসদ বলেন, রাজ্য়ে এতদিন হয়ে গেল আগুন জ্বলছে,কতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে? হাইকোর্টে এই নিয়ে মামলা হয়েছে, তা নিয়ে কিছু বলতে পারছে না প্রশাসন। মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় সব জানেন, তবুও কিছু বলতে পারছেন না। এই লুঙ্গি সন্ত্রাস রাজ্যে বন্ধ না হলে পশ্চিমবঙ্গ অন্ধকারে ডুবে যাবে। 

তবে এই প্রথমবার নয়। রাজ্য়ে সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে তৃণমূল নেত্রীকে লাগাতার আক্রমণ করেছেন দিলীপ ঘোষ। গতকাল তিনি বলেন,মুখ্যমন্ত্রী কি অনুপ্রবেশকারীদের দালাল, না উনি উগ্রপন্থী মুসিলমদের দালাল ? ওদের ভিডিয়ো দেখছি আর মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণ শুনছি একই মনে হচ্ছে। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার স্বার্থে রাজ্য়পাল কথা বলেছেন। উনি যা বলেছেন ঠিক বলেছেন। আমরা ওনাকে পূর্ণ সমর্থন করি। মুখ্য়মন্ত্রীর সব সময় দেশবিরোধী কথা বলেছেন। উনি পাকিস্তানের সুরে কথা বলেন। তাই রাজ্য়পালের কথায় ওনার কষ্ট হচ্ছে।  

সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডের দুমকায় নির্বাচনী জনসভায়  নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদ নিয়ে সরব হন প্রধানমন্ত্রী। বিরোধীদের একহাত নিয়ে মোদী বলেন,এ দিন বলেন, নাগরিক আইনের বিরুদ্ধে উত্তর-পূর্বের বিভিন্ন রাজ্য ও পশ্চিমবঙ্গে যে হিংসাত্মক বিক্ষোভ হচ্ছে, বিরোধীরা তাকে পরোক্ষে প্রশ্রয় দিচ্ছে। যারা আগুন লাগাচ্ছে, টেলিভিশনে তাদের দেখা যাচ্ছে। পোশাক দেখেই তাদের চেনা যাচ্ছে। এদিন প্রধানমন্ত্রীর সেই পোশাক মন্তব্য় নিয়ে খোঁচা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি বলেন,দেশজুড়ে নাগরিকত্ব আইনের বিরোদিতায় আগুন জ্বলছে, অথচ এখানেও প্রধানমন্ত্রী পোশাক দেখে চলেছেন।