এবার মুখ্য়মন্ত্রীর বিরুদ্ধে মৃতদেহ নিয় রাজনীতির অভিযোগ আনলেন বিজেপির রাজ্য় সভাপতি। দিলীপ ঘোষ বলেন, সারা দেশে যখন করোনায় মৃতের সংখ্যা বাড়ছে, তখন রাজ্য়ে মুখ্য়মন্ত্রীর দৌলতে এই সংখ্য়াটা কমছে।

এদিন মুখ্য়মন্ত্রী প্রসঙ্গে দিলীপবাবু বলেন,ওনার অতীতের অভ্য়েস আছে। এখন মৃতদেহ নিয়ে রাজনীতি করছেন। কোথাও ১১ জন আক্রান্ত হলে হাসপাতাল থেকে সেই রিপোর্ট বেরোতে দিচ্ছেন না। সারা দেশে যখন করোনা ভাইারাসে রোগী মৃত্যু বাড়ছে তখন রাজ্য়ে কমছে। মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় যে ফর্মুলা দিয়েছেন, তাতে সারা দেশে করোনায় এখনও পর্যন্ত ১৫-২০ জনের বেশি লোক মারা যানি।

ওার কথা অনুযায়ী, যারা মারা গিয়েছেন তাদের মধ্য়ে অধিকাংশ লোকের কোনও না কোনও পুরোনো অসুখ রয়েছে। যেমন রক্তচাপ, হাইপার টেনশন, ব্লাড সুগার। এই রোগীর কেউ মারা গেলে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের সরকার বলবেন, তিনি সুগারে বা হার্ট অ্য়াটাকে মারা গিয়েছেন। রাজ্য়ে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় করোনায় মৃত্যু নিয়ে একটা আলাদা স্ট্য়ান্ডার্ড তৈরি করেছেন। রাজ্য়ে এমন অনেক ব্যক্তি আছেন, যারা মারা যাওয়ার পর করোনা পজিটিভ পাওয়া গিয়েছে। অথচ তাদেরকে সরকার করোনায় মৃত হিসাবে দেখাচ্ছে না। 

মৃতদেহ নিয়েও রাজনীতি চলছে। রাজ্য় সরকার করোনায় মৃত না বলেও অনেক ক্ষেত্রে পরিবারের কাছে মৃতদেহ দিচ্ছে না। যদি করোনায়  মৃত্যু না হয়ে থাকে তাহলে পরিবারের কাছে কেন মৃতদেহ দেওয়া হচ্ছে না। এখানেই থেমে থাকেননি বিজেপির রাজ্য় সভাপতি। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকার রেশনের জন্য় এতকিছু করেছে, কিন্তু সবই ঘুরপথে তৃণমূলের নেতাদের  কাছে চলে যাচ্ছে। মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে বিভিন্ন জায়গায় রেশন দোকান ঘেরাও করেছেন। কোথাও তৃণমূল নেতাদের ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে। এটা দিন দিন বাড়ছে।

দিলীপের দাবি, লকডাউনের মধ্যে মানুষ এখন গৃহবন্দি। অনেকেরই আয় উপার্জন বন্ধ। এই অবস্থায় কোথাও কোথাও কিছু ত্রাণ পৌঁছলেও অনেক জায়গাতেই পৌঁছয়নি। 
বিজেপি রাজ্য সভাপতির দাবি, অনেক জায়গা থেকেই খবর আসছে যে পর্যাপ্ত পরিমাণে রেশনের সামগ্রী দেওয়া হচ্ছে না। বঞ্চিত করা হচ্ছে মানুষকে।  খড়্গপুরে বিপিএল তালিকায় স্থানীয় এক কাউন্সিলরেরও নাম রয়েছে। তাঁর বাড়ির তিন জন রেলে চাকরিও করে। তাঁরাও রেশন পাচ্ছেন।