শুভেন্দুর রাজনৈতিক অবস্থান কী? এখনও পর্যন্ত নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেননি শুভেন্দু। কিন্তু, মঙ্গলবারের গোপন দলীয় বৈঠক প্রকাশ্যে আসা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন শুভেন্দু। তিনি তাঁর অসন্তোষের কথা নিজেই মধ্যস্থতাকারী সোগত রায়কে হোয়াটসঅ্যাপে ম্যাসেজ করে জানিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। এর জেরে তীব্র অস্বস্তিতে তৃণমূল নেতৃত্ব। বিধানসভা ভোটে ভোটের আগে বাড়তি অক্সিজেন পেয়েছে গেরুয়া শিবির।

এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে খোঁচা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন শুভেন্দুর জন্য তৃণমূলের মধ্যস্থতাকারী সৌগত রায়তে তীব্র কটাক্ষ করলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ''শুভেন্দুকে খুশি করতে বড় খোকারা নেমেছিল। বৈঠক হল। রাতে আমার কাছে ফোন এল, শুনলাম সবকিছু ঠিক হয়ে গিয়েছে। সকলের মুখে হাসি ফুটল। তারপর শুনলাম এই সব''। এরপরই সৌগত রায়কে নিশানা করে দিলীপ ঘোষ বলেন, '' তৃণমূলেরল বুড়ো খোকাদের কথা যুবকরা কিছুতেই শুনছে না''।

প্রসঙ্গত, ১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়। সেখানে ছিলেন মধ্যস্থতাকারী তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ভোট কৌশুলী প্রশান্ত কিশোর। সেই বৈঠকের পর সৌগত রায় প্রকাশ্যে দাবি করেন, ''সব সমস্যা মিটে গিয়েছে, শুভেন্দু জানিয়েছে ও দল ছাড়ছে না। বিধায়ক পদও ছাড়ছে না। বাকি শুভেন্দু পরে জানাবে''। ঠিক তার পরের দিন সবকিছু পালটে যায়। দলীয় বিষয় প্রকাশ্যে আসা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এবম হোয়াটসঅ্যাপে ম্যাসেজ করে সৌগত রায়কে শুভেন্দু জানিয়ে দেন, '' একসঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়। মাফ করুন''।