আমফান স্থলভূমিতে আছড়ে পড়ে যে ভয়ঙ্কর তান্ডব চালাবে, তার আশঙ্কা করা হয়েছিল আগে থেকেই। এর জেরে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর-সহ আশেপাশের জেলায় অসংখ্য গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি এবং টাওয়ার পড়ে যাওয়ার ঘটনার কথা জানা গিয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে রাজ্যের বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়েছে।

তাণ্ডব থামলেও এখনও আশঙ্কা রয়ে গিয়েছে। কারণ ঘূর্ণিঝড়ের রেশ কাটেনি আজও। আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবারও দিনভর বৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদ-সহ উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও  ভারী বৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, ধীরে ধীরে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে আমফান। 

বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জানান,  বৃহস্পতিবার সকাল থেকে লাইন সারাই শুরু হয়েছে। আমপানের দাপটে বিকেল থেকেই সিইএসসি এলাকাতেও একই ভাবে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়। বহু জায়গায় লাইনের উপরে গাছ পড়ে যায়। বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়ে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগাম সব ব্যবস্থা নেওয়া থাকলেও ঝড়ের তীব্রতাত জন্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। অত্যন্ত জরুরি পরিষেবাকে টিকিয়ে রাখা ছাড়া অন্য কিছুই করা সম্ভব হয়নি।