বিউ সরকার- শীতের পরে আগমন হয় ঋতুরাজ বসন্তের। কোথাও কোথাও দু-একটি কোকিলের কুহু রব ছাড়া শহরে বসন্ত এসেছে বর্তমানে প্রকৃতি জানান দেয় না, কিন্তু হৃদয়ের বসন্ত থেমে থাকেনি। তাইতো শুধু শান্তিনিকেতন , রবীন্দ্রভারতী ,জোড়াসাঁকো নয় শহরের নানা প্রান্তরে এক থেকে আশি সমস্ত বয়সের মানুষই বসন্ত বরণ উৎসবে মেতে উঠেছে।

 

 

আরও পড়ুন, স্বস্তিতে রাজ্য়বাসী, মুর্শিদাবাদের মৃত যুবকের দেহে পাওয়া গেল না করোনা ভাইরাস

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতনে বসন্ত উৎসবের প্রচলন করেন। আর সেই উৎসবকে মূলধন করেই সারা দেশ জুড়ে পাড়ায় পাড়ায় চলে বসন্ত উৎসবের আয়োজন। তেমনি এক অনুষ্ঠান হয়ে গেল কলকাতার বালিগঞ্জের সমাজসেবী সংঙ্ঘে। প্রথমে রাধাকৃষ্ণকে আরাধনা করে পূজার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। দ্বিতীয়ার্ধে শ্রীকৃষ্ণের নাম কীর্তন হয়। ও তার পাশাপাশি তারা কিছুটা পদযাত্রা করেন।এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ মন্ত্রী শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়। 

আরও পড়ুন, দোলে কুকুরের গায়ে রং দিলেই করতে হবে হাজত বাস, জানাল লালবাজার

এই ক্লাবের সেক্রেটারি অরিজিত মৈত্র জানান ,এই বসন্ত উৎসব প্রায় ১০ বছর ধরে হয়ে আসছে। তারা এই দিনটির জন্যই সারাবছর অপেক্ষা করে থাকেন। এবং তিন বছর ধরে রং খেলার পাশাপাশি এই পুজোর আয়োজন করছেন। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও সমস্ত ভেদাভেদ ও ব্যস্ততাকে দূরে সরিয়ে বসন্ত উৎসবে এই এলাকার বাসিন্দাবৃন্দ মিলিত হয়ে একে অপরকে রঙ দিয়ে রাঙিয়ে দেন। তারপর সকলে মিলে একত্রিত হয়ে গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেন ও সর্বশেষে সকলে খাওয়া দাওয়া করেন। এছাড়াও লক্ষ্য করা গেছে সকলেই সাদা পোশাক পরিধান করে নিজেকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে এসেছিল এই বসন্ত উৎসবে।

আরও পড়ুন, মনীষীদের মান দিয়েছেন মমতা, দিলীপকে পাল্টা ফিরহাদের