অফিস থেকে ফিরেই পড়িমড়ি করে ম্যাচ দেখতে বসে গিয়েছে কলকাতার তামাম চাকরিজীবী। এত কম রানের টার্গেট, জয় হবে তো ভারতের, প্রশ্ন নিয়ে পাড়ার মোড়ে মোড়ে উৎসুক দর্শকরা টিভি দেখছেন। আর সেই সময়েই শিকার ধরতে নেমেছে দুই চক্রী। শহরে ঘুরে ঘুরে জুয়া খেলছে তারা। তবে শেষরক্ষা হল না। আসরে নেমে পুলিশ শ্রীঘরে নিল মানিকজোড়কে।

বেশ কয়েকদিন ধরেই পুলিশ খবর পাচ্ছিল আইপিএল-এর মতো রমরম করে শহরে চলছে বিশ্বকাপের জুয়া। স্বাভাবিক ভাবে ভারতের ম্যাচেই তার বাড়বাড়ন্ত। সুযোগ বুঝে আসরে নামে তারা। গত কাল ম্যাচ চলাকালেই সূত্র মারফত খবর পেয়ে সন্ধে সাতটা নাগাদ মহম্মদ ইনাম ওরফে গুড্ডুকে পাকড়াও করে। সঙ্গে থাকা দুটি মোবাইলেই জুয়ার কারবার চালাচ্ছিল সে। তাকে জিজ্ঞেসাবাদ করেই তার আরেক শাগরেদের খোঁজ পায় পুলিশ।  তিলজলা এলাকায় ধরা পড়ে  গুড্ডুর দলের আরেক পাণ্ডা রাজকুমার সাহু। রাজকুমার সাহু রীতিমতো আসর সাজিয়ে বসেছিল। ডেক্সটপ থেকে অন্য জুয়ারিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল সে। পুলিশ তার মোবাইল, ডেক্সটপ ও নগদ ৪৬০০ টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে।

এই জুয়ারিদের বিরুদ্ধে আইপিসি ১২০ এর বি-এর ৩ ও ৪ ধারায় স্বতপ্রণোদিত ভাবে মামলাও দায়ের করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর প্রতিটি ভারতের ম্য়াচ এলেই হাজার হাজার টাকা উড়ছে জুয়ারিদের ডেরায়। সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করে আসর জমাচ্ছে চক্রীরা। রয়েছে পেটিএম মারফত পেমেন্টের ব্যবস্থাও। জুয়ারাজ রুখতে বদ্ধপরিকর পুলিশ অন্যান্য ম্যাচেও গোটা শহর জুড়ে তল্লাশি চালাবে।