ভারত সরকারের মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কৃষ্ণমূর্তি শুভ্রমনিয়ন আগামী কালই আর্থিক সম‌ীক্ষার রিপোর্ট পেশ করবেন। এর থেকেই বোঝা যাবে গত এক বছরে আর্থিক ঘাটতির জায়গাগুলি কী কী। এই অবস্থায় অর্থনৈতিক মহলের চোখ আর্থিক উপদেষ্টার ওপরেই, কেননা পুনরুজ্জীবনের মন্ত্র তাঁরই জানা। কিন্তু প্রশ্ন হল, শুভ্রমনিয়নের প্রদেয় তথ্যে কি আর্থিক অগ্রগতির হার হ্রাস, ন্যূনতম ভাতা হ্রাসের মত ঘটনাগুলি উঠে আসবে? 

প্রসঙ্গত তিনি একটি সংবাদসংস্থাকে বলছেন, ভারতবর্ষের আর্থিক বৃদ্ধির হার ভাল। মুদ্রাস্ফীতির হার হ্রাস হয়েছে। সব মিলিয়ে আর্থিক ভাবে দূরদর্শিতারই পরিচয় দিচ্ছে ভারত। 
একই সঙ্গে মোদী সরকারের কৃষক ভাতার প্রশংসাও করছেন তিনি।তবে শুভ্রমনিয়নের আপত্তির জায়গা দুটো। তিনি পরিস্কার দেখাচ্ছেন আগের সরকারের সময়ের চাকরির বাজার এবং এই সরকারের সময়ের চাকরির বাজারের মধ্যে আকাশপাতাল পার্থক্য রয়েছে। একই সঙ্গে বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির কাজেও সিঁদুরে মেঘ দেখছেন এই অর্থনীতিবিদ। তাঁর মতে এই সংস্থাগুলির আর্থিক ক্ষমতা এবং বাজারে দায়বদ্ধতার যে বৈষম্য বারবার তৈরি হচ্ছে, তা ভারতের অর্থনীতির পক্ষে ক্ষতিকর হবে। বোঝাই যাচ্ছে শুভ্রমনিয়ম চিট ফাণ্ড কেলেঙ্কারির কথা মনে করাতে চাইছেন। উল্লেখ্য গতকাল এই অর্থবর্ষে ঋণখেলাপের উদাহরণও তুলে এনেছিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। তথ্য দিয়ে দেখিয়েছেন বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই  ঋণ নিয়ে ফেরত দিচ্ছে না বড় সংস্থাগুলি।

প্রসঙ্গত শুভ্রমনিয়ম অর্থনীতির দুনিয়ায় একজন উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক।  তাঁর মেন্টর রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার প্রাক্তন গভর্নর। পাবলিক সেক্টর ব্যাঙ্কিং নিয়ে দীর্ঘদিন কাজও করেছেন তিনি। আরবিআই এবং সেবিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।