শিল্পের নামে বোলপুরে শিবপুর মৌজা  ২০০২ সালে ৩০০ একর জমি অধিগ্রহণ করেছিল বামফ্রন্ট সরকার।  কিন্তু বিরোধীদের বাধা সহ নানা জটিলতায় সেই সময় কাজ শুরু করতে পারেনি বামফ্রন্ট সরকার। বিঘা প্রতি ৬৮ হাজার টাকা ও পরিবার পিছু একজনের চাকরির প্রস্তাব দিয়ে সেই সময় জমি অধিগ্রহণ করে বামফ্রন্ট সরকার। যার প্রথম কিস্তির ৪৮ হাজার টাকা পেলেও শেষ কিস্তির টাকা আর পাইনি কৃষকরা।

কৃষকদের অভিযোগ জমি আন্দোলনের সময় পার্থ চট্টোপাধ্যায়,মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও সরকারে আসার পরে প্রতিশ্রুতি রাখেননি। সরকারে আসার পর পার্থ চট্টোপাধ্যায় কৃষকদের বিঘা প্রতি ৬ লাখ টাকা দেবার প্রতিশ্রুতি দিলেও সেই প্রতিশ্রুতি রাখা হয়নি। উল্টে রাজ্য সরকার জমি হস্তান্তর করে হিডকো-র হাতে। যেখানে জমির চরিত্র বদল  হয়ে যায়। পরে ৭৩ লক্ষ টাকা বিঘা প্রতি বিক্রি করে শিল্পের বদলে আবাসন প্রকল্প শুরু করেছে হিডকো। এই অবস্থায় কৃষকরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলে কাজের উপর স্থগিতাদেশ দেয় হাইকোর্ট। 

বর্তমানে কৃষকদের অভিযোগ, কোর্টের নির্দেশ অমান্য করে সেখানে কাজ চলছে। বহস্পতিবার এই ঘটনার প্রতিবাদে বোলপুর থেকে কয়েকশো কৃষক নিউটাউনে হিডকোর দফতর বিক্ষোভ দেখায়। এদিন কৃষকদের সেই আন্দোলনে উপস্থিত হন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্য। এদিন  কৃষকদের আন্দোলনের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। শুধু বোলপুরের শিবপুর নয় রাজারহাটে জমি অধিগ্রহণের পর কৃষকরা ক্ষতিপূরণ পায়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। রাজারহাট সহ পশ্চিমবঙ্গের কৃষকদের জমি দখলের প্রতিবাদে  সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের কায়দায় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন প্রদীপ ভট্টাচার্য।