যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্ট বৈঠকে অংশ নিলেন রাজ্যপালএই প্রথম কোনও রাজ্যপাল অংশ নিলেন বৈঠকে ২৪ ডিসেম্বর হতে চলা সমাবর্তন অনুষ্ঠান নিয়ে আলোচনা  ডি'লিট -ডিএসসি  সম্মান প্রাপকদের নাম বাছাই নিয়ে মতবিরোধ

রাজ্যপালের সঙ্গে সংঘাতে জড়াল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সমাবর্তনে কাদের ডি'লিট -ডিএসসি দেওয়া হবে তা নিয়ে তৈরী হয় দ্বন্দ্ব। সূত্রের খবর, শঙ্খ ঘোষ, সংঘমিত্রা চৌধুরী, সি ভি রমন এবং সলমন হায়দারের নাম প্রস্তাব করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সলমন হায়দারের ক্ষেত্রে আপত্তি জানান রাজ্যপাল। যদিও বাদানুবাদের পর শেষপর্যন্ত সহমত পোষন করেন ধনকড়। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

শুক্রবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্ট বৈঠক ছিল। নির্ধারিত সময়ের মিনিট পাঁচেক আগেই ক্যাম্পাসে পৌঁছে যান রাজ্যপাল। বৈঠকে মূলত ২৪ ডিসেম্বর হতে চলা সমাবর্তন অনুষ্ঠান নিয়ে আলোচনা হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথা অনুযায়ী সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা কোর্টের বৈঠকে সভাপতিত্ব করে আচার্য। তবে ইতিহাস বলছে, সাধারণত এই বৈঠকে আচার্য নিজে অংশগ্রহণ করেন না। এদিন সেই অভ্যাস ভেঙে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্টের বৈঠকে যোগ দিলেন রাজ্যপাল। বৈঠকে ডি'লিট -ডিএসসি কাদের দেওয়া হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়। প্রাথমিক ভাবে চারজনের নাম প্রস্তাব করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সূত্রের খবর, শঙ্খ ঘোষ, সংঘমিত্র চৌধুরী, সি ভি রমনের ক্ষেত্রে কোনও আপত্তি ছিল না বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের। তবে সলমন হায়দারেরর নাম তালিকা থেকে বাদ দিতে বলেন তিনি। যদিও কোর্টের সদস্যদের দাবি ছিল, সলমন হায়দারকেও সম্মানিত করতে হবে। রাজ্যপাল ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সংঘাতের মাঝেই কো৪টের বৈঠকে ভোটাভুটি হয়। সলমনের নাম কোর্টের প্রত্যেক সদস্য সমর্থন করেন। রাজভবনে গিয়ে সিদ্ধান্ত দানাবেন বলেন রাজ্যপাল। তবে কোর্টের সদস্যরা তা মানতে রাজি ছইলেন না। তাই বাধ্য হয়েই শেষমেশ সায় দিতে দয় জগদীপ ধনকড়কে।