এসসি-এসটি ও গণপিটুনি সংক্রান্ত বিল নিয়ে তথ্য জানতে চান। এবার রাজভবনে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। আগামী ১৭ জানুয়ারি বৈঠকে বিধায়কদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি। রাজ্যপালের টুইট, 'একদিকে বিল দুটি  নিয়ে কোনও তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে বিধানসভা ও রাজ্য সরকারের তরফে অসমর্থযোগ্য তথ্য জনসমক্ষে তুলে ধরা হচ্ছে।' বিধানসভায় যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে সর্বদলীয় বৈঠকে আমন্ত্রণ পাওয়ার কথা জানানো হয়েছে বাম এ কংগ্রেসের তরফে। তবে পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচির কারণে বিরোধী দলের বিধায়করা বৈঠকে হাজির থাকতে পারবেন না। 

এ রাজ্যে এসটি ও এসসি সম্প্রদায়ের জন্য আলাদা কমিশন তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। সর্বসম্মতিক্রমে বিল পাসও হয়ে গিয়েছে বিধানসভায়। নিয়মাফিক বিলটি অনুমোদনের জন্য রাজভবনে পাঠিয়ে দিয়েছে সরকার। কিন্তু বিলে এখনও স্বাক্ষর করেননি রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।  বিল আটকে রাখার অভিযোগে বিধানসভায় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন তৃণমূল বিধায়করা।  এদিকে আবার শীতকালীন অধিবেশন চলাকালীন দু'দিন স্থগিত হয়ে গিয়েছিল বিধানসভা। কিন্তু কেন অধিবেশন স্থগিত রাখা হল? সে সম্পর্কে রাজ্য সরকারের তরফে কিছু জানানো হয়নি। সূত্রের খবর,   রাজভবনে বেশ কয়েকটি বিল আটকে থাকার কারণেই অধিবেশন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।  এই পরিস্থিতিতে এসসি-এসটি ও গণপিটুনি বিল সম্পর্কে তথ্য জানতে চেয়ে রাজভবনে সর্বদল বৈঠক ডাকলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।

 

 

 

উল্লেখ্য, সোমবার রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের রাজভবনে বৈঠকে ডেকেছিলেন রাজ্যপাল।  কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও বৈঠকে হাজির হননি কেউই।  কিন্তু কেন তাঁরা রাজভবনে গেলেন না? মুখে কুলুপ এঁটেছেন উপাচার্যরা।  বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের ক্ষমতা খর্ব করতে নয়া বিধি লাগু করেছে শিক্ষাদপ্তর। নয়া বিধি অনুযায়ী.  ক্ষমতাবলে রাজ্যপাল সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে বৈঠকে ডাকতেই পারেন। কিন্তু সেই চিঠি শিক্ষাদপ্তরের মাধ্যমে পাঠাতে হবে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এক্ষেত্রে সেই নিয়ম মানা হয়নি, শিক্ষাদপ্তরকে এড়িয়ে সরাসরি উপাচার্যদেরই বৈঠকে ডেকেছিলেন রাজ্যপাল। তাই কি বৈঠকে গেলেন না কেউ? জল্পনা তুঙ্গে।