অবশেষে কয়েক পশলা বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরেছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে। কিন্তু উত্তরবঙ্গের মানুষ এখনও ভারী বর্ষা থেকে নিস্তার পায়নি। উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রামে ২০ সেন্টিমিটার, দার্জিলিং-এর চম্পাশালিতে ৮ সেন্টিমিটার, হাসিমারাতে ৭ সেন্টিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হয়েছে। 

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানাচ্ছেন, এই মুহূর্তে মৌসুমী অক্ষরেখা জামসেদপুর, দিঘা হয়ে পূর্ব-মধ্য় বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত আছে। দক্ষিণবঙ্গে ৩ অগাস্ট পর্যন্ত বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হবে। ৪ অগাস্ট উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপের সৃষ্টি হবে। এর পর থেকেই দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। 

আরও পড়ুনঃ দিল্লিবাসীর জন্য সুখবর,বর্ষার বৃষ্টিতে কমল দূষণের মাত্রা

৪ অগাস্ট থেকে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে বারণ করা হয়েছে। এই সময়ে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা বাড়বে না। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি থাকবে বলে জানা গিয়েছে। ৪ অগাস্টের পরে টানা তিন চার দিন বৃ্ষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তর পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপরে নিম্নচাপ অক্ষরেখা থাকলে দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টি হবে। কিন্তু নিম্নচাপ অক্ষরেখা যদি কিছুটা নেমে আসে তা হলে ওড়িশায় ভারী বৃ্ষ্টি হবে। 

কিন্তু এই সামান্য বৃষ্টিতেই যে বেশ অনেকটাই শান্তি পাওয়া গিয়েছে তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু যেহেতু এবার জুলাই থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে তাই পুজোর সময়ে বৃষ্টি ভোগাবে কি না তা নিয়ে চিন্তিত বাঙালি।