২০১৬ সালেই জানানো হয়েছিল ১৪ হাজারের বেশি লোককে নিয়োগ করা হবে রাজ্যের উচ্চপ্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে। ইন্টারভিউয়ের তারিখ ঘোষিত হয়। বলা হয়, ২০১১ এবং ২০১৫ সালের টেট উত্তীর্ণরা অনায়াসে ইন্টারভিউর জন্যে আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু সেই ঘোষণার বাস্তবায়ন হয়নি আজও। এদিকে শিক্ষামন্ত্রী ভোটের আগেই কথা দিয়ে রেখেছেন নিয়োগ সংক্রান্ত সমস্যা নিষ্পত্তির। এবার ফের একবার হাইকোর্টের নির্দেশে বিশ বাঁও জলে চলে গেল উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়া। 

সোমবার উচ্চপ্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলাকালীন বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য জানান, নিয়োগ সংক্রান্ত এই মামলার নিষ্পত্তি না হওয়ার ফলেই হচ্ছে উচ্চ প্রাথমিক স্তরে। এই আদেশ মেনেই আপাতত নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিতই রাখা হচ্ছে। স্কুল সার্ভিস কমিশনও জানিয়ে দিয়েছে, হাইকোর্টের কথা মোতাবেকই ইন্টারভিউ পাশ করা ছাত্রছাত্রীদের নিয়োগ এখুনি হচ্ছে না।

প্রসঙ্গত মামলা মোকদ্দমাকে বেশ কয়েকদিন ধরেই নিয়োগের পথে প্রধান বাধা হিসেবে দায়ী করে আসছেন শিক্ষামন্ত্রী।  সোমবারই বিধানসভা থেকে তিনি জানান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়ার মূল কারণ বারংবার পরীক্ষার্থীদের মামলা। পূর্বতন সরকারের নিয়োগ প্রক্রিয়াকে এক হাত নিয়ে তিনি বলেন, জঞ্জাল সাফ করতেই আমাদের অনেকটা সময় চলে গিয়েছে। 

প্রসঙ্গত শিক্ষামন্ত্রীর সদর্থক প্রয়াসও জলেই চলে যাচ্ছে এদিনের হাইকোর্টের ঘোষণার পরে। কয়েক হাজার চাকরিপ্রার্থী ইন্টারভিউ দিয়েও বসে রয়েছেন। এখন তাঁদের ভবিষ্যৎ একরকম অন্ধকারই বলা যায়।