মাঠে নেমে কাজ করছেন বিদ্বজনেরা। ঠিক যেন ২০১১ এর মতো আবার বারবার পথে নামতে দেখা যাচ্ছে তাদের। দিন কয়েক আগেই ভাটপাড়ায় পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে তাঁরা পৌঁছে গিয়েছিলেন ভাটপাড়ায়। এবার নিজেদের কথা সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে বললেন তাঁরা লিখিত আকারে। প্রত্যুত্তর দেওয়ার সৌজন্য দেখালেন মুখ্যমন্ত্রীও।

এদিন নাট্য অভিনেতা কৌশিক সেন নবান্ন থেকে বলেন, আমরা ভাটপাড়ায় গিয়েছিলাম।সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে যা যা জানতে পেরেছিলাম, আমরা চিঠি মারফত তা জানালাম বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে। এই চিঠিতে শঙ্খ ঘোষ, নবনীতা দেবসেনের মতো বিদগ্ধ জনেরা স্বাক্ষর করেছে। এই চিঠিটিপ পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রীও আমাদের একটা চিঠি দিয়েছেন। সেখানে সবিস্তারে লেখা রয়েছে ভাঁটপাড়ায় অশান্তি থামাতে তিনি কী পদক্ষেপ নিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ ভাটপাড়ায় বাংলার বুদ্ধিজীবীরা, খতিয়ে দেখলেন পরিস্থিতি, তৈরি হল রিপোর্ট

প্রসঙ্গত গত ১৮ জুন রাজ্য জুড়ে অশান্তির আবহেই কলকাতার তপন থিয়েটারে একজোট হন বিদ্বজনেরা।সভায় উপস্থিত ছিলেন শঙ্খ ঘোষ, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, কৌশিক সেন, অপর্ণা সেন রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্তের মতো বিদ্বজনেরা। সেদিন সভাস্থল থেকেই অপর্ণা সেন বলেন, আমাদের সাহসের সঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা দেখিয়ে দেব ভারত কোনও হিন্দু রাষ্ট্র নয়। দলিতের বিরুদ্ধে সমস্ত অন্যায়ের সঙ্গে লড়ব আমরা। 

এরপরেই মাঠে নেমে কাজ শুরু করেন বিদ্বজনেরা। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কাঁকিনাড়া ভাটপাড়া অঞ্চলের যে সমস্ত সাধারণ মানুষের ঘর বাড়ি ভাঙচুর হয়েছে, মারধর করা হয়েছে যাদের, তাদের সঙ্গে দেখা করেন এবং কথাবার্তা বলেন। এছাড়াও ভাটপাড়া হিংসায় মৃত দুই  রামবাবু সাউ এবং ধর্মবীর সাউ-এর বাড়িতে যান তাঁরা। তাদের সাথে কথা বলেন। সেখানেই তাঁরা সংবাদমাধ্যমতকে জানিয়েছিলেন তাঁরা চাইছেন, মানুষের কথা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে। লক্ষ্য একটাই, যেন ন্যায়বিচার পায় মানুষ।