বিশ্বনাথ দাস, হাওড়া- বিজেপি নবান্ন অভিযান ঘিরে মিছিলে প্রতিহত করতে যে জলকামান ব্যবহার করা হয়েছিল। সেই জলকামানে রাসায়নিক ব্যবহারের অভিযোগ উঠল। সাঁতরাগাছি থেকে মিছিল শুরু হলে পুলিশের বাধার মুখে  বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। সেখানে বিজেপির মিছিল প্রতিহত করতে জলকামান ব্যবহার করা হয়েছিল। কামানে ব্যবহার করা জলে রঙ মেশানো হয়। সেই জলবে রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়েন বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্য়োপাধ্যায়। তাঁর রক্তবমি শুরু হয় বলে অভিযোগ।

হাওড়ার দুটি জায়গায় মূলত ব্যবহার করা হয়েছিল এই রং মাখানো জলকামান। একটি হল হাওড়ার সাঁতরাগাছি কোনা এক্সপ্রেসওয়েতে। সেখানে ব্যারিকেড দিয়ে বিজেপির মিছিল প্রতিহত করছিল পুলিশ। অভইযোগ, সেখানে পুলিশের ছোঁড়া জলকামানের জল খেয়ে রক্তবমি শুরু হয় বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের। অসুস্থ হয়ে পড়েন আরও কয়েকজন বিজেপি কর্মী। অন্যদিকে, হাওড়া ময়দানেও এই রাসায়নিক মিশ্রিত জলকামান ব্যবহার করা হয়েছে বলে সূ্ত্রের খবর। 

বিজেপির অভিযোগ, রাসায়নিক মিশ্রিত দল কামানে ব্যবহার করা হয়েছে বলে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। পুলিশের ছোঁড়া জল খেয়েই রাজু অসুস্থ হয়ে রক্তবমি শুরু হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে বিজেপির তরফে।

যদিও, রাসায়নিক রঙ মিশ্রিত জল কামানে ব্যবহার নিয়ে পুলিশের দাবি, বিক্ষোভকারীদের বা অপরাধীদের চিহ্নিত করতেই এই ধরনের রঙ ব্যবহার করা হয়। তিন থেকে চার দিন বিক্ষোভকারীদের শরীরে থাকে এই রঙ। এই কয়েকদিন শরীর থেকে কোনও ভাবেই এই রঙ উঠবে না। হাওড়ার দুটি জায়গা সাঁতরাগাছি এবং হাওড়া ময়দানে বিজেপির নবান্ন অভিযান ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সেকারণে এই রাসায়নিক মিশ্রিত জল ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। পাশাপাশি, এই রঙে ক্ষতিকারক কিছু নেই বলে দাবি করা হয়েছে পুলিশের তরফে।