রেলবোর্ডের স্থায়ী কমিটিতে সদস্য়পদ পাইয়ে দেওয়ার কাণ্ডে এক ব্য়বসায়ীর করা মামলায় নাম জড়িয়েছে অনেক বিজেপি নেতার। এই মামলায় একাধিকবার বিজেপির মুকুল রায়কে জেরা করেছেন পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরা। জারি হয়েছিল গ্রেফতারি পরোয়ানাও। এদিকে শুক্রবার চার্জশিট বেরোতেই মুকুল রায়ের নাম নেই।

আরও পড়ুন, 'আপনি কি এখনও গভীর নিদ্রায় ঘুমিয়ে', হাথরস গণধর্ষণ কাণ্ডে যোগীকে প্রশ্ন নুসরতের

শুক্রবার দুপুরে আলিপুর আদালতে ৮ পাতার চার্জশিট পেশ করল পুলিশ। তবে চার্জশিটে বাবান ঘোষ, রাহুল সাউ, সাদ্দাম হোসেন, কমল হোসেন আনসারি-র নাম থাকলেও সেখানে  মুকুল রায়ের নাম নেই। চার্জশিটে পুলিশ জানিয়েছে,  কমল হোসেন আনসারি-র অ্য়াকাউন্টে সব টাকা জমা পড়ে ছিল। যা পাঠিয়েছিলেন ওই অভিযোগাকারী ব্য়বসায়ী। পাশাপাশি তদন্তের স্বার্থে ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের ৪ টি ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেখানে বেশ কিছু ভয়েস রেকর্ডিং উদ্বার হয়েছে। এবার সেগুলি টেস্টের জন্য চন্ডীগড়ে ল্য়াব টেস্টে পাঠানো হবে। 

আরও পড়ুন, হাথরাসকাণ্ডের প্রতিবাদে এবার পথে মুখ্যমন্ত্রী, শনিবার প্রতিবাদ মিছিল কলকাতায়

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে রেলের এক আধিকারিকের থেকে ৮০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়। সাক্ষী হিসেবে ডেকে পাঠানো হয় মুকুল রায়কে। তখন দিল্লির বাসিন্দা হওয়া কারণ দেখিয়ে আসতে চাননি মুকুল। এরপরেও বেশ কয়েকবার নোটিশ পাঠানো হয়। ঘটনার মোড় ঘোরে ২০১৯ সালে। ব্য়াঙ্কশাল কোর্ট মুকুলের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করে। আর সেটাকে চ্য়ালেঞ্জ করে দিল্লির হাইকোর্টে মামলা করেন মুকুল। এরপর তিনি জানান, তাঁর ৬৫ বছর বয়েস হয়ে গিয়েছে, তাই যেখানে তিনি চাইবেন সেখানেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। এরপর কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন মুকুল রায়। বিচারপতি রাজশেখর মান্থার সিঙ্গল বেঞ্চ তাঁর গ্রেফতার পরোয়ানা খারিজ করে দেয়। এদিকে শুক্রবার  চার্জশিট বেরোতেই নামও উধাও মুকুল রায়ের।