ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড স্ট্যান্ড রোডে। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ২০ টি দমকলের ইঞ্জিন। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা গেলেও, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একের পর এক মৃত্যুর খবর সামনে উঠে আসতে থাকে। দমকলের পক্ষ থেকে তখনও চালিয়ে যাওয়া হচ্ছিল কাজ। উপস্থিত ছিল ল্যাডার, উচ্চতার কারণেই দ্রুত এই আগুণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভবপর হয়ে ওঠেনি। তবে কেন এই আগুন, তা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

ঘটনাস্থলে খবর পাওয়া মাত্রই পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন জানানা, রাত পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী মৃত্যু হয়েছে মোট ৯ জনের। তড়িঘড়ি তাঁদের এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি, এই বিষয় তৈরি করা হয়েছে বিশেষ তদন্ত কমিটি। মৃত্যদের পরিবারের প্রতি শোকপ্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন তিনি আর্থিক সাহায্যের কথাও ঘোষণা করেন। 

মৃতদের পরিবার পিছু দেওয়া হবে ১০ লক্ষ টাকা ও একটি করে সরকারী চাকরি। স্ট্যান্ড রোডের পূর্ব রেলের অফিসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছিলেন, রাজ্যের আরও দুই মন্ত্রী। দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু প্রাথমিকভাবে জানিয়েছিলেন দমকল কর্মীদের লিফটে আটকে পড়ার খবর। কেউ মারা গিয়েছেন কি না, তা নিয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এরপরই মিলতে থাকে একের পর এক মৃত্যুর খবর।