সিএএ বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদের পাশে থাকবেন বলেছিলেন। কিন্তু বাস্তবে  দেখা গেল ,হল উল্টো।  বাম ছাত্রদের ঘেরাও থেকে মুক্তি পেতে হুমকি দিলেন মুখ্য়মন্ত্রী। ধর্মতলার মঞ্চে অনেক বোঝানোতেও কাজ না হওয়ায় ছাত্রদের হটাতে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে তৃণমূলের কর্মীদের ডাক দিলেন মমতা।  

শনিবার নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ও এনআরসির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কালো পতাকা দেখাতে বিক্ষোভ কর্মসূচির  ডাক দিয়েছিল বিভিন্ন সংগঠন। দিনভর কোথাও কোনও উত্তেজনা না হলেও প্রধানমন্ত্রী যখন মিলেনিয়াম পার্কে পোর্ট ট্রাস্টের অনুষ্ঠানে আসেন তখন ধুন্ধুমার কাণ্ড বেঁধে যায় ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিংয়ে। এদিন সেখানে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে। যার জেরে পুলিশের সঙ্গে ধস্তধস্তি শুরু হয়ে যায় যাদবপুর, প্রেসিডেন্সি-সহ একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের। 

বিকেলে মিলেনিয়াম পার্ক থেকে ধর্মতলায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ধর্নামঞ্চে ফিরে যেতেই বাম ছাত্রদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী। পুলিস সামনে থাকলেও কার্যত মুখ্য়মন্ত্রীকে ঘেরাও  করে রাখেন ছাত্ররা। যার জেরে উত্তাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় রানি রাসমনি রোডে। সবার মুখে তখন মোদী  গো ব্য়াকের বদলে ওঠে মমতা গো-ব্যাক স্লোগান। কেন মোদীকে রাজ্য়ে ঢুকে দেওয়া হল তা নিয়ে মমতাকে প্রশ্ন করেন ছাত্ররা। য়ার উত্তরে দিদির মুখে একই বুলি আওড়াতে দেখা যায়। বার বার মুখ্য়মন্ত্রী বলেন, উনি রাজ্য়ে নিজে এসেছেন । তোমাদের যদিও কোনও আন্দোলনের বিষয় থাকে তাহলে দিল্লিতে গিয়ে কর। যা শুনে আরও রেগে যায় ছাত্ররা। 

তাঁরা বলেন, মোদীর বিরোধিতার কথা বললেও শনিবার মোদী আসতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চলে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একান্ত বৈঠক করতে। এই থেকেই স্পষ্ট মোদী-দিদি গোপন সেটিং রয়েছে। প্রথমে ছাত্রদের কথায় গা করেননি মুখ্য়মন্ত্রী। পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকলেও বলেন,যত খুশি স্লোগান দিলেও ছাত্রদের সঙ্গে দুর্ব্য়বহার করবে না পুলিশ। কারণ এরা দিল্লির পুলিশ নয়।