১০ বছর ধরে পুজো করে আসছে এমন কমিটিগুলিকে সরকারি অনুমতি দেবে  রাজ্য়  সরকার। এই  অনুমতির বিষয়ে প্রশাসনকে খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ আগামী ২ অক্টোবর থেকে অনলাইনে আবেদন করতে পারবে দুর্গা পুজো কমিটিগুলি। পরিসংখ্য়ান অনুয়ায়ী, রাজ্যে ২৮ হাজার অনুমোদিত পুজো কমিটি রয়েছে৷ কেবল কলকাতাতেই রয়েছে ৩ হাজার পুজো কমিটি। 

মেট্রো যাত্রীদের জন্য় সুখবর,রবিবারেও চলবে কলকাতা মেট্রো রেল

সোমবার দুর্গাপুজোয় কী  করা যাবে আর য়াবে না তা নিয়ে গাইডলাইন প্রকাশ করেছে রাজ্য় সরকার। তাতে বলা হয়েছে,  ঠাকুর দেখা যাবে তৃতীয়া থেকেই। প্রসাদ বিতরণ, অঞ্জলি আর সিদুঁর খেলার সময় যাতে সংক্রমণ না ছড়ায় সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে পুজো মণ্ডপের চার ধার খোলা রাখতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মণ্ডপে হ্যান্ড স্যানেটাইজার রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। মণ্ডপে ঢোকার সময় প্রত্যেক দর্শনার্থীকে হ্যান্ড স্যানেটাইজার ব্যবহার করতে হবেই। এছাড়াও মণ্ডপে ঢুকতে গেলে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নিরাপদ শারীরিক দূরত্ববিধি মেনে চলতে নিদান দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

সন্ত্রাসের স্বর্গরাজ্য়ে পরিণত হয়েছে বাংলা, মমতাকে বিঁধে তির ধনখড়ের

কদিন আগেই দুর্গাপুজোয় কমিটিগুলোর জন্য বড় খবর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। চলতি বছর দুর্গাপুজো কমিটিগুলোর জন্য় ৫০ হাজার টাকা করে দেবে রাজ্য় সরকার। এমনই ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। এখানেই শেষ নয়, দুর্গাপুজো কমিটিগুলির জন্য় আরও কিছু ছাড়ের কথা বলেছেন তিনি। পুজো কমিটিগুলি থেকে  দমকল ফি নেওয়া হবে না৷ এবার দিতে হবে না কর। পুজো কমিটিগুলোর  জন্য় ক্যালকাটা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কর্পোরেশন বা সিইএসসি এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদ (ডব্লিউএসইবি) এর ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মমতা৷

সারদাকাণ্ডে নতুন চমক, একাই ২৬০ কোটি টাকা জমা দিয়েছিলেন এক জনপ্রতিনিধি