শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়েছে তৃণমূলের 'সোজা বাংলায় বলছি'। বুধ-শুক্রবার  করে প্রচার হবে বলেও আর দেখা পাওয়া যায়নি ডেরেক ও'ব্রায়েনের। যা নিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি আসানসোলের বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। এবার সোশ্য়াল মিডিয়ায় নতুন প্রচার অস্ত্র আনল তৃণমূল। রাজ্য়ে দিদিকে বলা মানেই মুশকিল আসান গোছের এই ক্যাম্পেনের নাম দেওয়া হয়েছে- 'ম্য়ায় হুঁ না'। ২১শের জয়রথে চাপতে শাহরুখ খানের পুরোনা সিনেমার নাম ধার করেছে টিম পিকে।

বৃহস্পতিবার রাতেই এই চমক দিয়েছে প্রশান্ত  কিশোরের টিম। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সামনে জনতার ভিড়। আঙুল উচিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ছবিতে বড় ইংরেজি অক্ষরে লেখা 'ম্যায় হুঁ না'। তৃণমূলের টুইটার হ্যান্ডেলে এই ছবি প্রকাশ করে লেখা হয়েছে, দেশ এখন এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মধ্য়ে দিয়ে যাচ্ছে। কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ছাত্রদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়েছেন। তাদের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এসেছেন একমাত্র নেত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়।

তবে মমতার এই পর্চার নিয়ে বিদ্রুপ শুরু করেছে বিজেপি। তাদের মতে, এই প্রচার আসলে শাহরুখ নয় মোদীজির থেকে নেওয়া। এতদিন মোদীভক্তরাই বলে এসেছেন 'মোদী হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়'। এবার বিজেপির সেই সুরেই প্রচার অস্ত্র  নামালেন মমতা। এদিকে রাজ্য়ের  সাম্প্রতিক অতীত বলছে- করোনা,আমফান দুর্নীতি নিয়ে খুব একটা সুবিধের জায়গায় নেই তৃণমূল। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার হাওয়ায় এখন রাজনীতির নৌকা চালাচ্ছে বিজেপি। তাই বেগতিক দেখে একের পর একে প্রচার অস্ত্র নামাচ্ছে টিম পিকে। বিজেপির আইটি সেলকে পাল্টা দিতেই এই রণকৌশল।

কিছুদিন আগেও মুক্তি পেয়েছিল তৃণমূলের ক্যাম্পেইন, সোজা বাঁলায় বলছি। সেখানে বাংলায় বেকারত্বের হার দেখিয়ে মানুষকে ভাবতে বলেছিলেন তৃণমূলের রাজ্য়সভার সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন। কিন্তু একবার সেই ক্যাম্পইন শুরু করে আর মুখ দেখাননি ডেরেক। যা নিয়ে খোটা দিতে  ছাড়েনি বিজেপি। সোশ্য়াল মিডিয়ায় কতজন তৃণমূলের সেই প্রচারে সামিল হয়েছেন তার তথ্য় তুলে ধরেছেন বাবুল সুপ্রিয়। বিজেপি সাংসদের দাবি, পুরোপুরি  ফ্লপ করেছে ঘাসফুলের সোজা বাংলায় বলছি।