১৯৯৩ সালে মমতা বন্দোপাধ্যায় আওয়াজ তুলেছিলেন 'সচিত্র পরিচয়পত্র না হলে ভোট হবে না'। সেই স্লোগান মুখে নিয়েই রাইটার্স অভিযানে গিয়ে মৃত্যু হয়েছিল ১৩ যুব কংগ্রেস কর্মীর। ২৬ বছর তাঁর স্লোগান 'ইভিএম নয়, ব্যালট চাই'। তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের মুখেও একই ধ্বণি শোনা গেল। 

১৯৯৩ সালে যুব কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় আওয়াজ তুলেছিলেন 'সচিত্র পরিচয়পত্র না হলে ভোট হবে না'। সেই স্লোগান মুখে নিয়েই রাইটার্স অভিযানে সামিল হয়েছিলেন যুব কংগ্রেস কর্মীরা। সেই মিছিলে পুলিশের গুলিচালনাতেই মৃত্যু হয়েছিল ১৩ য়ুব কংগ্রেস কর্মীর। যাঁদের স্মরণে এই ২১ জুলাই শহীদ দিবস আয়োজন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

২৬ বছর পর ফের এক নির্বাচনী প্রক্রিয়া সংক্রান্ত দাবি তোলা হল সেই ২১ জুলাই-এর দিনই। এবারে তাঁর স্লোগান ইভিএম নয়, ব্যালট চাই। সভায় আসা তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের থেকে শুরু করে মঞ্চে দলনেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় - সবার মুখে একই ধ্বণি শোনা গেল।

লোকসভা নির্বাচন ২০১৯-এ বাংলায় বিজেপির ১৮টি আসন পাওয়ার পিছনে বিপুল অর্থ ছড়ানো ও ইভিএম কারচুপিই কারণ বলে দাবি করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি বলেন আমেরিকা, ইউরোপ, জাপান বা পৃথিবীর অন্যান্য উন্নত দেশগুলিতে ভোটের জন্য ইভিএম চালু করা হলেও পরে এই ব্যবস্থায় ত্রুটি পাওয়ায় আবার ব্যালট ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তাহলে ভারতে কেন তা হবে না, এই প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।

ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ও বলেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে রিগিং করে জেতার অভিযোগ উঠেছে। যতবার খুশি তাঁর আসনে পুনর্নির্বাচন করা যেতে পারে। তাতে তাঁর আপত্তি নেই। কিন্তু তার আগে বিজেপিকে সারা দেশে ব্য়ালট বক্সে ভোট আয়োজন করতে হবে।

বিভিন্ন জেলা থেকে আসা তৃণমূল নেতা-কর্মী-সমর্থকদের হাতের পোস্টার, ব্যানারেও ইভিএম বাতিল করে ব্য়ালট চালু করার দাবি দেখা গিয়েছে। এই নিয়ে স্লোগানও উঠেছে মুহূর্মুহূ। সচিত্র পরিচয়পত্র চালুর দাবি পরবর্তীকালে সরকার মেনে নিতে বাধ্য হয়েছিল। এবার ব্যালট ফেরানোর দাবি সফল হয় কিনা সেটাই দেখার।