প্রতিদিন প্রায় হাজার হাজার রোগী ভির জমায় সরকারি হাসপাতালে। টিকিট মাত্র দুটাকা। কিন্তু সেই অর্থমূল্য যদি মাস খানেক জমিয়ে রাখা যায় তবে তা লক্ষ ছাড়ায়। অথচ সেই পরিমাণ অর্থের দিকে সারা বছরে একবারও নজর দিলেন না মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। ফলে বছরের মাঝে এসে হিসেবে রইল বিস্তর গলতি।

আরও পড়ুনঃ রাজা রামমোহন রায়ের বাড়িতে চুরি, রাত পোহাতেই গ্রেফতার তিন 

টিকিট বিক্রি করে অর্থ জমেছিল মোট তিন লক্ষ বাইশ হাজার টাকা। অথচ সেই টাকা কোথায়! খোঁজ নিতেই সামনে উঠে আসে জুগুন রামের নাম। তিনি এই হাসপাতালের টিকিট কাউন্টারে কর্মরত ছিলেন। ফলে তাঁকে অর্থের গড়মিল মেলার কারণে নোটিশ পাঠান হল। শুক্রবার এই ঘটনা সামনে উঠে আসা মাত্রই চাঞ্চল্য ছড়ায় হাসপাল চত্বরে। বর্তমানে ওই ব্যক্তিকে সাত দিনের জন্য বরখাস্থও করা হয়েছে। ঘটনাটি সম্পূর্ণ স্বীকার করে নিয়ে তা খতিয়ে দেখার কথাও জানান মেডিক্যাল কলেজের সুপার ইন্দ্রনীল বিশ্বাস।  

প্রতিদিন কতটাকা টিকিট বাবদ জমা পড়ছে তার হিসেব সেভাবে রাখা হয়নি। চলতি বছরের হিসেব মেলাতে গিয়ে নজরে আসে এই ঘটনা। প্রতিদিন এত পরিমাণ খুচরো পয়সা ব্যাঙ্ক জমা নেয় না, তাই নির্দিষ্ট দিনেই তা ব্যাঙ্কে জমা দেওয়ার কথা। কিন্তু কেন সেই শর্ত লঙ্ঘন করা হয়েছে, তা নিয়েও এখন প্রশ্নের মুখে ওই ব্যক্তি।