শিয়ালদহ মেইন ট্রেন লাইনে যাত্রীদের দুর্ভোগ অব্যাহত। কয়েকদিন হল শ্যামনগর, ইছাপুর এই সকল অঞ্চলে চলছে অটো সিগন্যালিং-এর কাজ। যার জেরে ৯ তারিখ থেকে ১৬ তারিখ অবধি বাতিল করা হয়েছে তিনশোরও বেশি ট্রেন। তার মধ্যে অধিকাংশই নৈহাটি এবং কল্যাণী লোকাল। কিছু রানাঘাট এবং অল্প কিছু কৃষ্ণনগর লোকালও বাতিল রাখতে হয়েছে কাজের জন্য। ফলে বাড়ি ফিরতে চরম সমস্যার মুখোমুখি লক্ষাধিক যাত্রী। বাকি ট্রেনগুলিতে প্রাণ হাতে করে ফিরতে হচ্ছে তাদের।

আরও পড়ুন-ভ্যালেন্টাইনের অন্দরে লুকিয়ে রয়েছে চরম যৌনতা, না জানলেই মিস...

এর আগে ট্রেন বাতিল থাকলেও সময়ে ট্রেন চলায় ভিড় ছাড়া অন্য কোনো বিপত্তির মুখোমুখি হতে হয়নি নিত্যযাত্রীদের। কিন্তু বুধবার রাতে ও বৃহস্পতিবার দুর্ভোগ আলাদা মাত্রা নেয়। ট্রেন চলতে থাকে তিন ঘন্টা দেরিতে। বুধবার রাত ৯ টায় ট্রেনে উঠে নৈহাটি ফিরতে যাত্রীদের ১ টা বেজে যায়। বৃহস্পতিবার সকালে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়। যেই ট্রেনের সকাল ৮ টায় দমদম জংশনে পৌঁছনোর কথা, তা এসে পৌঁছয় সাড়ে ১১টায়। ফলে অনেক মানুষ কর্মক্ষেত্রে পৌঁছোন অনেক দেরিতে। 

 

বৃহস্পতিবার ফেরার সময়ও চিত্রটি বদলায়নি। ফলে বাড়ি ফিরতে আবারও সমস্যায় পড়েন নিত্যযাত্রীরা। প্রবল ভিড়ে অনেক মহিলা ও শিশু অসুস্থ হয়ে পড়েন। সন্ধ্যে ৭ টায় শিয়ালদহ থেকে ছাড়া ট্রেন ইছাপুর পৌঁছতে সময় লাগায় প্রায় তিন ঘন্টা। ট্রেন চলেও বিশাল স্লথ গতিতে। নৈহাটি অবধি যাদের বাড়ি তাদের মধ্যে অনেকে বাসে করে শিয়ালদহ থেকে হাওড়া চলে আসেন। তারপর বিভিন্ন স্টেশনে নেমে ঘাট পেরিয়ে কিংবা ব্যান্ডেল জংশনে নেমে ব্যান্ডেল-নৈহাটি লোকাল করে বাড়ি ফেরার চেষ্টা করেন। ফলে বৃহস্পতিবার হাওড়া লাইনেও ট্রেনের ভিড় ছিল স্বাভাবিকের থেকে অনেক বেশি।