করোনা আতঙ্কে প্রচারে জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা দলের মিছিল এখন এড়িয়েই চলছে প্রায় সবাই   বেগতিক দেখে পুরনির্বাচনই পিছিয়ে দেওয়ার কথা উঠছে  ভোট পিছোনোর প্রস্তাব দিতে পারে বিজেপি

করোনা আতঙ্কে জমায়েত প্রচারে জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। সরকারিভাবে না বললেও দলের মিটিং মিছিল এখন এড়িয়েই চলছে প্রায় রাজ্য়ের সব দল। বেগতিক দেখে এবার পুরনির্বাচনই পিছিয়ে দেওয়ার কথা ভাবছে সবাই। শোনা যাচ্ছে শীঘ্রই এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানাতে পারে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সূত্রের খবর, আগামী ১৯ এপ্রিল কলকাতা ও হাওড়ায় পুর নির্বাচনের নির্ঘণ্টা ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল। সেক্ষেত্রে বাকি পুরসভাগুলির নির্বাচন হওয়ার কথা এপ্রিলের ২৮ তারিখ। কিন্তু সেইে পরিকল্পনা আপাতত বিশ বাঁও জলে। রাজ্য়ে একের পর এক স্কুল, কলেজ উচ্চ প্রতিষ্ঠানে ছুটির নোটিশ পড়ায় চিন্তা বেড়েছে সবার মনে। করোনার কারণে আপাতত নির্বাচনেও ধীরে চলো নিতে নিতে পারে নির্বাচন কমিশন। অন্তত রাজ্য় রাজনীতির হাওয়া মোরগ সেই কথাই বলছে। 

শোনা যাচ্ছে, শীঘ্রই ভোট পিছোনোর বিষয়ে আবেদন জানাতে পারে বিজেপি। সোমবার নির্বাচন কমিশনের ডাকা সর্বদল বৈঠকে এই আবেদন জানাতে পারেন তারা। আগামীকালই রাজ্য়ের রাজনৈতিক দলগুলির ২জন করে প্রতিনিধিকে সর্বদলীয় বৈঠকে ডেকে পাঠিয়েছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাস। সেখানে নির্বাচনী আচরণবিধি সম্পর্কে প্রতিটি দলকে নির্দেশিকা দেওয়ার কথা। কিন্তু করোনা কাঁটায় সেই বৈঠক থেকে কী সারবস্তু বেরিয়ে আসবে তা কেউ জানেন না।

সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ করেছে, রাজ্য়ে পুরভোটের দিনক্ষণ পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে বিজেপি। পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেছেন, আমরা তো নির্দিষ্ট সময়ে ভোট চাইছি। ওনারাই তো সব কিছু কোর্টে নিয়ে দেরি করান। তবে করোনা বিপত্তির কথা মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় নিজে ঘোষণা করার পর তৃণমূল আর ভোট পিছোনোর জন্য় বিজেপির দিকে আঙুল তুলতে পারবে না।