বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে লোকাল ট্রেন পরিষেবা। সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি মিটতে চলেছে। স্টেশনগুলিতে যুদ্ধকালীন তৎপড়তায় চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। শেষ লগ্নে সোমবার সন্ধ্যায় এই বিষয়ে বিভিন্ন জেলা শাসক ও পুলিশ সুপারদের বেশ কিছু নির্দেশ পাঠানে হল নবান্ন থেকে। এদিন নবান্নে জেলা আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্যের মুখ্য সচিব এবং স্বরাষ্ট্র সচিব। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিব-ও।

বৈঠকে জেলা আধিকারিকদের বলা হয়েছে -

- প্রতিটি স্টেশনে চার থেকে ছয় জন সিভিল ডিফেন্স কর্মী রাখতে হবে

- স্টেশনের প্রবেশপথে থার্মাল স্ক্যানিং-এর ব্যবস্থা করতে হবে

- থার্মাল স্ক্যানার-এর জোগান দেবে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর

- থার্মাল স্ক্যানিং ছাড়া কেউ যাতে প্রবেশ না করে তা নিশ্চিত করতে হবে

- রাখতে হবে পর্যাপ্ত মাস্ক এবং স্যানিটাইজার

- স্টেশনের বাইরে অন্যান্য গণপরিবহণের ব্যবস্থা ঠিক আছে কিনা তা দেখতে হবে

- নিয়মিত ও ব্যাপক হারে করোনা বিধি প্রচার করতে হবে

- ভিড় নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে

উপরোক্ত বিষয়গুলি মেনে চলার বিষয়ে স্থানীয় থানার সঙ্গে বৈঠক করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপারদের। একই সঙ্গে জেলা শাসকদের বলা হয়েছে বিডিও - এসডিও দের সঙ্গে আলোচনা করে যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য এবং নিরাপত্তার বিষয়ে নজর দেওয়ার জন্য। করোনা বিধি যাতে লঙ্ঘিত না হয় সেটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব তাঁদেরই।

তবে, ট্রেনের মধ্যে নিয়মিত স্যানিটাইজ করা-সহ অন্যান্য সুর৭ামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কাজ করবে রেল পুলিশ ও রেল দপ্তর।