ঘূর্ণিঝড় আমফানের ক্ষয়ক্ষতি দেখতে শুক্রবারই রাজ্য়ে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামীকাল সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নামার কথা রয়েছে তাঁর। সূত্রের খবর, কলকাতা বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত থাকবেন বিজেপির রাজ্য় সভাপতি দিলীপ ঘোষ।   

রাজ্য়ে আমফানের পরিস্থিতি দেখতে ইতিমধ্য়েই  প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। নিজের চোখে একবার পরিস্থিতি দেখে যেতে বলেছেন। নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন,আমফানের জন্য রাজ্যে কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা খতিয়ে দেখে তা কেন্দ্রের কাছে পেশ করা হবে। তার পর দেখা যাক কত কী দেয় কেন্দ্র। এদিকে কেন্দ্রীয় সরকার ঘূর্ণিঝড়ে সাহায্য়ের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আগেই  ক্ষতিপূরণের জন্য ১ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। 

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করে আমফানের ক্ষয়ক্ষতির খবর নিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এ ব্যাপারে রাজ্য়েকে সবরকম সাহায্যেরও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। ত্রাণ ও উদ্ধার কাজে কেন্দ্রের বিপর্যয় মোকাবিলা টিম যে রাজ্যের সঙ্গে সমন্বয় করে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে করবে সেই আশ্বাসও মুখ্যমন্ত্রীকে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

একই কথা শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর গলায়। আমফান নিয়ে টুইট করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই সংকটের মুহূর্তে গোটা দেশ পশ্চিমবঙ্গের পাশে রয়েছে। শোনা যাচ্ছে,রাজ্য়কে সাহায্য় করার বিষয়ে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্তদের অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়ার পক্ষপাতী রাজ্য় বিজেপি। এ বিষয়ে কেন্দ্র পর্যবেক্ষক দল পাঠাক বলে মত রাজ্য় বিজেপির একাংশের। 

তাদের অভিমত, রাজ্য়ে করোনা পরিস্থিতির থেকে শিক্ষা নিক কেন্দ্রীয় সরকার।  রেশন দুর্নীতির জেরে কেন্দ্রীয় সরকারের পাঠানো চাল গরিবদের হাতে না পৌঁছে তৃণমূল নেতাদের কাছে গেছে বলে অভিযোগ বিজেপির। সম্প্রতি আমফান রাজ্য়ে আসার আগেই নবান্নকে না জানিয়ে রেসিডেন্স কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যা নিয়ে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।  যদিও এখন নিজেই প্রধানমন্ত্রীকে  আমফানের ক্ষয়ক্ষতি দেখে যেতে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।