নাম না করে এবার তৃণমূলের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে  সরব হলেন রাজ্য়ের বিদ্বজ্জনেরা। কদিন আগেই করোনা প্রসঙ্গে ১৪ জন প্রবাসী বাঙালি বিজ্ঞানী-চিকিত্‍সক মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিলেন। যার  পাল্টা  ওই বিজ্ঞানী-চিকিত্‍সকদের প্রশ্ন করেছিলেন মহুয়া।  তৃণমূল সাংসদ বলেন, আমেরিকার করোনা সংকট নিয়ে ট্রাম্পকে কেন চিঠি দেননি  তাঁরা। সাংসদের এই প্রশ্নকেই পাল্টা প্রতিশোধমূলক রাজনীতির অঙ্গ বলেছেন বাংলার বিদ্বজ্জনরা। 

নবান্ন অনুমতি দেয়নি, আজ বেলেঘাটা আইডিতে ফুলের বৃষ্টি করতে পারবে কি ভারতীয় সেনা.

কারা রয়েছেন এই বিদ্বজ্জনদের ব্রিগেডে ? রাজ্য় সরকারের করোনা নিয়ে সমালোচনায় সেই  বিবৃতিতে স্বাক্ষর রয়েছে পরিচালক তরুণ মজুমদার, বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত, কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়, অনীক দত্ত, অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তী, শ্রীলেখা মিত্র, সঙ্গীতশিল্পী দেবজ্যোতি মিশ্র, অনিন্দ্য বসু, উপল সেনগুপ্ত, কবি মন্দাক্রান্তা সেন, চিত্রশিল্পী সমীর আইচ, ওয়াসিম কপুর, রাজ্যের প্রাক্তন আমলা অর্ধেন্দু সেন, শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকার ছাড়াও অনেকে।

এক বছর পর কোথায় বসবেন ঠিক করে রাখুন, ফিরহাদকে পাল্টা দিলীপের.

রবিবার মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগও তুলেছেন এই বিশিষ্টজনেরা। তাঁরা লিখেছেন, এই সাংসদই সংসদে বলেছিলেন, সরকারের সমালোচনা করা মানেই দেশের বিরোধিতা করা নয় এবং বাক স্বাধীনতার অধিকার হরণ করা ফ্যাসিস্ত মনোভাবের লক্ষণ। তা হলে কেন রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমালোচনাকে রাজ্যবিরোধী বলা হবে। 

বিতর্কের সূত্রপাত বেশ কয়েকজন প্রবাসী বাঙালি চিকিত্‍সক ও বিজ্ঞানীর একটি খোলা চিঠিকে ঘিরে। ওই চিঠির লেখকরা জানান তারা ইংল্যান্ড, আমেরিকার মতো পাশ্চাত্যের বিভিন্ন দেশে গবেষণা বা চিকিত্‍সার কাজে নিযুক্ত। তাঁরা খোলা চিঠিতে অভিযোগ তুলেছিলেন, রাজ্য সরকার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সঠিক সংখ্যা জানাচ্ছে না। সেটা বিরাট বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

করোনা যুদ্ধের সৈনিক সাংবাদিকরাও, ১০ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্যবিমার কথা ঘোষণা মমতার.

যার জবাবে কৃষ্ণনগরের সাংসদ টুইটারে পাল্টা প্রশ্ন করেন ওই বার্তাপ্রেরকদের। তাঁরা যে দেশে থাকেন, সেই দেশের পরিস্থিতি নিয়ে সেখানকার সরকারকে কেন চিঠি লিখছেন না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সাংসদ।  ওই বিজ্ঞানী-চিকিত্‍সরা যে সব দেশে থাকেন, সেখানকার সঙ্গে এ রাজ্যের এবং এ দেশের করোনা সংক্রমণ চিত্রের তুলনা করে মহয়া লেখেন— ওই উন্নত দেশগুলির তুলনায় এখানে করোনাভাইরাসের মোকাবিলা অনেক ভাল ভাবে হচ্ছে।

যা নিয়ে নাম নবা করে মহুয়ার সামলোচনায় সরব হয়েছেন বিদ্বজ্জনেরা। তাদের প্রশ্ন, বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধিত্সা কি কারও বসবাসের এলাকা বা দেশের গণ্ডির মধ্যে বেঁধে রাখা যায়?'' রাজ্য সরকার কোভিড-১৯ এর মোকাবিলায় ওয়ার্ল্ড অ্যাডভাইজরি কমিটি গঠন করেছে। সেই বিষয়টি উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গ্লোবাল অ্যাডভাইজরি কমিটিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিত্‍ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও বাকিদের অধিকাংশই প্রবাসী। সে বেলায় অসুবিধা না হলে এই প্রবাসী চিকিৎসক, গবেষকদের বেলায় সমস্যা হচ্ছে কেন তা জানতে চান বিদ্বজ্জনরা।