গরুর দুধে সোনা আছে বলে কদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নিন্দার শিকার হয়েছিলেন তিনি। এবার নিন্দুকদের পাল্টা দিতে ফের সরব হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বিজেপি সাংসদ বলেন, যারা গরু নিয়ে ব্যাঙ্কে গোল্ড লোন নিতে যাচ্ছেন, তাঁরা গরুর থেকেও কম বোঝেন।

সোশ্য়াল মিডিয়ায় ট্রোলের মুখেও নিজের গো-তত্ত্বেই অনড় রইলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদেরপ দাবি, গরু নিয়ে তিনি যে কথা বলেছেন তা ঠিক বলেছেন। যারা তাঁর বিরুদ্ধে গরু নিয়ে হাসি মসকরা করছেন , তাঁরা সোশ্য়াল মিডিয়ায় প্রচার পেতে এই ধরনের কাজ করছেন। এদিন তিনি বলেন, 'আমার কথা শুনে অনেকেই নাকি গরু নিয়ে গোল্ড লোন নিতে চলে যাচ্ছেন। এসব যাঁরা করছেন, তাঁরা গরুর চেয়েও কম বোঝেন।' এই বলেই অবশ্য থেমে থাকেননি দিলীপবাবু। তাঁর আরও সংযোজন, গাধারা যেমন গরু সম্পর্কে কিছুই জানে না, তেমন অনেকেই গরু নিয়ে কিছু বোঝেন না। কেউ প্রমাণ করে দেখাক যে আমি ভুল বলেছি। আমি রোজ গরুর দুধ খাই।

রাজ্য রাজনীতির কারবারীদের মতে, গরুর থেকে কম বোঝেন বলে আসলে নিন্দুকদের গাধা বলার চেষ্টা করেছেন দিলীপবাবু। কদিন আগেই  বর্ধমানের টাউন হলে গাভী কল্যাণ সমিতির এক অনু্ষ্ঠানে দিলীপ ঘোষ বলেন, গরুর পিঠের কুঁজে স্বর্ণনাড়ি আছে। সেখানে রোদ পড়লে তা সোনার মতো চকচক করে। তাই গরুর দুধ সোনালি হয়। বিজেপির রাজ্য সভাপতির এই মন্তব্য প্রকাশ্য়ে আসতেই তা সোশ্য়াল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। এমনকী বিদেশের সংবাদপত্রেও দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্য মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। বিরোধীরা তো বটেই সোশ্যাল মিডিয়ার  দিলীপের গোতত্ত্ব নিয়ে মসকরা শুরু হয়ে যায়। 

মূলত, দেশি গরুর গুণাগুণ বোঝাতে গিয়ে দেশি বউ বিদেশি বউয়ের প্রসঙ্গ তুলে আনেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, অনেকেই বিদেশি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছেন। ফলে তাঁরা দেশে ফর্সা বিদেশি বউ এনেছেন। বিদেশি বউরা এসেই দেশের নেতাদের বিকৃত করেছেন। এরপরই দেশের নেতাদের জেলের ভাত খেতে হয়েছে। সেরকম দেশি গরুর মধ্যেও যে গুণ রয়েছে তা বিদেশি গরুর মধ্যে নেই। দেশি গরুতে মহাঔষধির গুণ রয়েছে। যা বিদেশি গরুর মধ্যে নেই।