বেহালায় ফাঁকা বাড়ি থেকে বৃহস্পতিবার উদ্ধার করা হয় বৃদ্ধা শুভ্রা ঘোষ দস্তিদারের দেহ। পুলিশ এই ঘটনায় এর সাহেব নামের এক কাঠের মিস্ত্রীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশের অনুমান সাহেবের থেকেই জানা যাবে, এই খুনের পিছনে কে বা কারা রয়েছে। খুনের উদ্দেশ্যই বা কী। সাহেবকে পৈলান থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।  

শুক্রবার বৃদ্ধার ছেলে ও বউমা দুজনেই চাকরি ও নাতনি স্কুলে গিয়েছিল।  মহিলা বাড়িতে একাই ছিলেন। বৃদ্ধার বাড়ির পরিচারিকা সকাল ১১টা নাগাদ এসে ডেকে কোনও সাড়া না পেয়ে চলে যান। আবার কিছুক্ষণ পরে ঘুরে এসে ডেকে সাড়া না পাওয়ায় সন্দেহ হয় পরিচারিকার। তখন তিনি শুভ্রাদেবীর প্রতিবেশীদের পুরো বিষয়টা জানান যে, ডাকলেও কোনও সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। 

প্রতিবেশীরা যখন ঘরের ভিতরে ঢুকতে যান, দরজা নিজের থেকেই খুলে যায়। বাড়ির দোতলায়ে উঠে দেখেন, মহিলা মৃত অবস্থায় মেঝেতে উপুড় হয়ে পড়ে রয়েছেন। তাঁর গলায় গামছা জড়ানো এবং মুখের সামনে একটা চাদর রাখা। ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্রও অগোছালো অবস্থায় রাখা ছিল বলে জানিয়েছিল পুলিশ। মহিলার ফোনও পাওয়া যায়নি। বেহালা থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। বৃদ্ধার মৃত্যুতে আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়। প্রতিবেশীরা জানিয়েছিলেন, সকালে সবাই বেরিয়ে  যাওয়ার পরে একজন তাঁকে ডাকছিলেন। কিন্তু তার পরে আর কিছু জানতে পারেননি প্রতিবেশীরা।