কুমারগঞ্জের গণধর্ষণকাণ্ডের প্রতিবাদে মিছিল বের করতেই পথ আটকাল পুলিশ।  লকেট চট্টোপাধ্য়ায়ের নেতৃত্বে বিজেপির মশাল মিছিল ঘিরে সোমবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সেন্ট্রাল অ্য়াভিনিউ। কোনওভাবেই মিছিল না ছাড়ার পণ করে বসে পুলিশ । পাল্টা হুগলির সাংসদও প্রতিবাদকারীদের এগিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। যার জেরে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয় বিজেপির কর্মী সমর্থকদের। 

'গুলি নিয়ে' দিলীপ-বাবুলে তর্ক, রাজনৈতিক কৌশল দেখছেন পার্থ
 
এদিন কুমারগঞ্জে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় মশাল মিছিলের নেতৃত্ব দেন বিজেপি  সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্য়ায়। মিছিলের প্রথমে থেকে কর্মীদের এগিয়ে যেতে বলেন তিনি। কিন্তু মিছিল বিজেপির রাজ্য দফতর থেকে রাস্তায় আসতেই তা আটকে দেয় পুলিশ। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের উপরেই ব্যারিকেড করে পথ আটকানো হয় বিক্ষোভকারীদের। পুলিশ দাবি করে বিজেপির মিছিলের কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। এমনকী মিছিলে মশাল থাকবে তাও জানানো হয়নি পুলিশকে। বাধ্য় হয়েই মিছিল আটকাতে হয়েছে তাঁদের।  

এবার রাজ্য়পালকে ছাড়া সমাবর্তন কলকাতা বিশ্ববিদ্য়ালয়ে,পাগলামো বাড়ছে বললেন পার্থ

যদিও বিজেপি দাবি করেছে, আগে থেকেই মিছিলের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল। পুলিশ এ বিষয়ে মিথ্যা বলছে।  এদিন রাজ্য বিজেপি দফতর থেকে যোগাযোগ ভবন পর্যন্ত মিছিল ছিল বিজেপির। কিন্তু পুলিশি বাঁধায় মাঝ পথেই বসে যান বিজেপি নেতা-কর্মীরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশবাহিনী। কদিনা আগেও বিজেপির মিছিলে অনুমতি দেয়নি পুলিশ। শেষে আদালতের নির্দেশ মেনে কুমারগঞ্জ গণধর্ষণকাণ্ডের প্রতিবাদে শুক্রবার শহরে মিছিল করে বিজেপি। নন্দন চত্বরে মিছিলে হাঁটেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, অগ্নিমিত্রা পাল, রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ দলের প্রথমসারির নেতারা।