যাদবপুরের সুলেখা মোড়ে পড়ুয়াদের উপর পুলিসের লাঠিচার্জের অভিযোগের ভিত্তিতে ক্ষমা চাইলেন ডিসি এসএসডি সুদীপ সরকার।  তিনি বলছেন,যাদবপুর বিশ্ববিদ্য়ালয়ের পড়ুয়াদের উপর লাঠিচার্জ বা পড়ুয়াদের মারার কোনও উদ্দেশ্য পুলিসের ছিল না। কেউ আহত হয়ে থাকলে তার জন্য় তিনি ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন। 

আরও পড়ুন, জাঁকিয়ে শীত কলকাতায়, ফের বৃষ্টির সম্ভাবনা

সোমবার সন্ধ্যায়, মুখোমুখি সংঘর্ষের সম্ভাবনায় আগে থেকেই সতর্ক ছিল পুলিস। জেএনইউ কাণ্ডের প্রতিবাদে তিন দলের মিছিল সোমবার সন্ধ্যায় মুখোমুখি হয় সুলেখা মোড়ে। যাদবপুরের পড়ুয়াদের একটি মিছিল সুলেখা পৌঁছয়। একইসময়ে ওই চত্বরে পৌঁছয় সিপিআইএম ও বিজেপির দুটি মিছিল।এদিন অনুপম হাজরার নেতৃত্বে বাঘাযতীন থেকে যাদবপুর থানার উদ্দেশ্যে একটি মিছিল শুরু হয়। পরে সুলেখা মোড়ে এলে আটকে দেওয়া হয় সেই মিছিল। অপরদিক থেকে এসএফআই এবং যাদবপুরের পড়ুয়াদের একটি মিছিল  সুলেখার দিকে আসে। সেখানেও পুলিসের ব্য়ারিকেডে আটকানো হয় মিছিল। ফলে  সন্ধে সাতটার দিকে সিপিএম ও যাদবপুরের ছাত্র ছাত্রীদের মুখোমুখি হয় গেরুয়া বাহিনী। তিন পক্ষকেই সরিয়ে দেয় পুলিস। কিন্তু মিছিল সরানোকে কেন্দ্র করেই গন্ডগোল বাঁধে সুলেখা মোড়ে। যাদবপুরের কয়েকজন পড়ুয়ার সঙ্গে সেই সময়ই ধস্তাধস্তি বেঁধে যায় পুলিসের। 

আরও পড়ুন, মৃত্য়ুর পর চোদ্দোদিন পার, ফ্ল্যাট থেকে তরুণীর পচাগলা দেহ উদ্ধার পুলিশের
 
বিশ্ববিদ্য়ালয়ের পড়ুয়াদের অভিযোগ, লাঠি নিয়ে  ছাত্রদের দিকে তেড়ে আসে পুলিস। যাদবপুরের আন্দোলনকারীদের দাবি , পুলিস নির্বিচারে তাঁদের উপর লাঠিচার্জ করেছে। পুলিসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন পড়ুয়ারা।  সোমবার সন্ধ্যায়, আন্দোলন ও বিক্ষোভের জেরে প্রায় ৩ ঘণ্টা সুলেখা মোড় এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। যার জন্য় চরম সমস্যায় পড়েন নিত্যযাত্রীরা।