মমতা এখন আর তৃণমূলের সভানেত্রী নেই, এখন তৃণমূলের সভাপতি পদে বসেছেন অন্যজন। খড়গপুরে দলীয় প্রার্থীর প্রচার এসে এমনই মন্তব্য় করলেন মুকুল রায়। স্বাভাবিকভাবেই মুকুলের এই মন্তব্য়ে শুরু হয়েছে জোর গুঞ্জন।

অতীতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে আক্রমণ শানিয়েছেন নানাভাবে। তবে খড়গপুর উপনির্বাচনে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করতে একেবারে অভিনব পন্থা নিলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। এদিন খড়গপুরের বিজেপি প্রার্থী প্রেমচাঁদ ঝায়ের প্রচারে এসে মুকুল রায় বলেন,তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি পদে আর মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় নেই। এখন সেই জায়গায় বসেছেন প্রশান্ত কিশোর। তাই বিরোধীদের লড়াই টিম পিকে-র সঙ্গে। তৃণমূল কংগ্রেস বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে নয়।

এই বলেই অবশ্য থেমে থাকেননি রাজ্য বিজেপির অন্যতম স্ট্র্য়াটেজিস্ট। তাঁর দাবি, তৃণমূল এখন আর মমতার দল নেই। তৃণমূল হচ্ছে এখন মমতার অভিষেকের কোম্পানি। ওটা দল নেই। গত লোকসভাতে কংগ্রেস এবং সিপিএম আলাদা আলাদাভাবে লড়াই করেছিল ৷ তাই সেবার কংগ্রেসের ভোট আর সিপিএমের ভোট দুটো একত্রিত করে লড়াইটা হয়েছিল। ২০১৬ তে আমরা যে ভোটে জয়লাভ করেছিলাম তার থেকে বেশি ব্যবধানে জয়লাভ করব।  

এই বলেই অবশ্য থেমে থাকেননি মুকুল। সুযোগ বুঝে খড়গপুরের নির্বাচনে তৃণমূলের দায়িত্বপ্রাপ্ত শুভেন্দু অধিকারীকেও খোঁচা দেন তিনি।  এদিন মুকুল রায় বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর ট্র্যাক রেকর্ড খুব খারাপ। তিনি যেখানে যেখানে দায়িত্বে ছিলেন, সেখানে সেখানেই তাঁর দলের প্রার্থী পরাজিত হয়েছে। কাজেই  খড়গপুরের দায়িত্ব তিনি নিয়েছেন যখন খড়গপুরের ভোটে তৃণমূল হারবে। রবিবার সন্ধায় দলীয় বিজেপি প্রার্থী প্রেমচাঁদ ঝা-এর নির্বাচনী প্রচারে উপস্থিত হয়েছিলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। খড়গপুর শহর সংলগ্ন সাহাচক থেকে খরিদা পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার পথ হুডখোলা জিপে প্রার্থীকে সঙ্গে নিয়ে প্রচার চালান তিনি।